অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
সহধর্মিণীকে সাথে নিয়ে কোনো চালক ছাড়াই নিজে গাড়ি চালিয়ে সচিবালয় থেকে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে পৌঁছে ‘বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন’-এর বার্ষিক সম্মিলন ২০২৬-এ যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর আবদুল গনি রোডের সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ের অফিশিয়াল কাজকর্ম শেষ করে আগারগাঁও শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র (সাবেক বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র) অভিমুখে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই যাত্রাপথে তিনি প্রথাগত কোনো পেশাদার চালক ছাড়াই পুরো পথ নিজে গাড়ি চালিয়ে গন্তব্যে পৌঁছান এবং এ সময় তাঁর পাশের আসনে সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত বার্ষিক সম্মিলনের বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।
এর আগে, একই দিন সকাল ৯টার দিকে গুলশানের বাসভবন থেকে সচিবালয়ে নিজস্ব কার্যালয়ে যাওয়ার পথে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কারওয়ান বাজার প্রান্তে এক ব্যতিক্রমী ও মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। বনানী হয়ে এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে তাঁর ভিভিআইপি প্রটোকল বহরটি এগিয়ে যাওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয় যে, পেছনে একটি জরুরি রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স সাইরেন বাজিয়ে তাঁর নিরাপত্তা বহরটিকে অতিক্রম করার চেষ্টা করছে। দেশের প্রচলিত ভিভিআইপি ট্রাফিক রীতির কারণে সড়কে সাধারণ ও জরুরি যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকে থাকা যেখানে একটি চিরচেনা দৃশ্য, সেখানে প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি অনুধাবন করে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর সাথে থাকা নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের অ্যাম্বুলেন্সটিকে আগে চলে যাওয়ার জন্য পথ ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই যুগান্তকারী নির্দেশে প্রটোকলের কঠোর রীতি ভেঙে সাইরেন বাজানো অ্যাম্বুলেন্সটিকে দ্রুত ভিভিআইপি বহর পার হয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়, যা সড়কে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে তাঁর ব্যক্তিগত আন্তরিকতার এক বিরল প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।



