অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন আয়তুল্লাহ আলী খামেনী । তার মৃত্যুতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে সৃষ্ট শূন্যতার পর জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সুপ্রিম লিডার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তার ছেলে মোজতবা খামেনী।
বুধবার (৪ মার্চ) Iran ইন্টারন্যাশনাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। এতে বলা হয়, প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary guard corps (আইআরজিসি)-এর চাপের মুখে ৮৮ সদস্যের Assembly of experts মোজতবাকে নতুন নেতা হিসেবে চূড়ান্তভাবে বেছে নেয়।
এদিকে আধা-সরকারি Fars news agency জানিয়েছে, খামেনিকে তার জন্মশহর মাশহাদ -এ সমাহিত করা হবে। তাকে ইমাম রেজা মাজার প্রাঙ্গণে পারিবারিক কবরের পাশে দাফন করার প্রস্তুতি চলছে।
কে এই মোজতবা?
৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি দীর্ঘদিন ধরে সুপ্রিম লিডারের দপ্তরে আড়ালের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তেহরান ও কুমে ধর্মীয় শিক্ষা নেওয়া এই মধ্যম-স্তরের আলেম আইআরজিসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে ক্ষমতার কেন্দ্রে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান গড়ে তোলেন। ইরান–ইরাক যুদ্ধে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা কাঠামোর শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে।
২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, অভিযোগ ছিল—নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তা দমন-পীড়নে সম্পৃক্ততা।
তবে তার নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্কও রয়েছে। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, সুপ্রিম লিডার হতে উচ্চপদস্থ ধর্মীয় মর্যাদা আবশ্যক—যা মোজতবার নেই। পাশাপাশি বিপ্লব-পরবর্তী ব্যবস্থায় বংশানুক্রমিক ক্ষমতা হস্তান্তরও সংবেদনশীল বিষয়।
বিশ্লেষকদের মতে, আইআরজিসি ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর সমর্থনই শেষ পর্যন্ত তার নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।



