জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাস ও লঞ্চের ভাড়া বাড়লেও ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে লঞ্চের ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, রেল মন্ত্রণালয় থেকে ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর চাপ রয়েছে। ভাড়া না বাড়ালে রেলের লোকসান আরও বাড়বে। তবে গত ১০ বছর ধরে রেলের ভাড়া বাড়ানো হয়নি এবং জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে রেলের ভাড়া বাড়ানোর চাপ থাকলেও এখনো ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ভাড়া না বাড়িয়ে বর্তমান ভাড়া বহাল রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে ভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজন হলে তা যৌক্তিক হারে বাড়ানো হবে।
লঞ্চের ভাড়া ৭.৫৪ শতাংশ বাড়ল
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিচালন ব্যয় বাড়ার কারণে নৌযান মালিকরা লঞ্চের ভাড়া ১৫ শতাংশ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিলেন। তবে যাত্রীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে লঞ্চের ভাড়া ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।
এ ছাড়া লঞ্চের সর্বনিম্ন ভাড়া ৩২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, ভাড়া বাড়ানো কাম্য নয়। কিন্তু বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হয়েছে। জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করেই সর্বনিম্ন হারে লঞ্চের ভাড়া বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভাড়া বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে কোনো ধরনের নৈরাজ্য বা স্বেচ্ছাচারিতা বরদাশত করা হবে না।
সিএনজিচালিত যানবাহনের ভাড়া বাড়বে না
সিএনজির দাম বাড়েনি উল্লেখ করে নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, সিএনজিচালিত যানবাহনের ভাড়া বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। কেউ নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



