অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আইসিইউ শয্যার সংকটে গত ১১ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে ৩৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে পাবনার চাটমোহরের আড়াই বছরের নুসাইবাও ছিল, যে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে আইসিইউর অপেক্ষায় ছিল ২২ নম্বরে। কিন্তু সিরিয়াল আসার আগেই ১২ মার্চ তার মৃত্যু হয়। চার দিন পর হাসপাতাল থেকে আইসিইউ শয্যা খালি হওয়ার ফোন আসে।
স্বজনদের অভিযোগ, সময়মতো আইসিইউ পেলে অনেক শিশুই বাঁচতে পারত। ১৩ মার্চ সাহিদ নামের এক ব্যক্তির সন্তানও আইসিইউ না পেয়ে মারা যায়। অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা আরও এক শিশুর মা অভিযোগ করেন, তদবির করেও আইসিইউ বেড পাননি।
রামেক আইসিইউ ইনচার্জ আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, এই হাসপাতালে শিশুদের জন্য মাত্র ১২টি আইসিইউ শয্যা রয়েছে, যা রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের একমাত্র সরকারি শিশু আইসিইউ। ফলে দূরদূরান্ত থেকেও রোগী আসে, চাপ বাড়ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৬০ শয্যার আইসিইউ কমপ্লেক্স থাকলেও অনুমোদন ও জনবল সংকটে পুরোপুরি চালু হয়নি। শিশুদের জন্য নির্ধারিত ২০টি শয্যার বেশিরভাগই অচল। এছাড়া রাজশাহীতে নির্মিত ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতালও এখনো চালু হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রয়োজনীয় জনবল, যন্ত্রপাতি ও সরকারি সদিচ্ছা থাকলে এই সংকট অনেকটাই কমানো সম্ভব।



