অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক
বিয়ের পর অনেক নারীর ওজন বাড়ার বিষয়টি সমাজে প্রচলিত। তবে এটি কোনো “অবধারিত” বিষয় নয়। ওজন বৃদ্ধির পেছনে শারীরিক, মানসিক ও জীবনযাপনগত নানা কারণ কাজ করে।
প্রধান কারণগুলো:
১. জীবনযাত্রার পরিবর্তন: বিয়ের পর খাদ্যাভ্যাস, ঘুম, শারীরিক কার্যকলাপ ও হরমোনে পরিবর্তন আসে।
২. নিজের যত্নে অবহেলা: সংসার ও দায়িত্বে ব্যস্ত হয়ে খাদ্য ও ব্যায়ামে মনোযোগ কমে।
৩. ঘুমের ঘাটতি: অনিয়মিত ঘুম ও পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব মেদ জমাতে পারে।
৪. খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: নতুন পরিবেশ ও জীবনসঙ্গীর পছন্দের সঙ্গে খাপ খাইয়ে অস্বাস্থ্যকর খাবারের পরিমাণ বেড়ে যায়।
৫. বাইরে খাওয়ার প্রবণতা: রেস্তোরাঁ, ফাস্টফুড বা স্ন্যাক্সের অতিরিক্ত ক্যালরি ও তেল ওজন বাড়ায়।
৬. বয়সজনিত প্রভাব: ২৮–৩০ বছর বয়সের পর বিপাক ধীর হয়ে যাওয়ার কারণে সহজে মেদ জমে।
৭. মানসিক চাপ: নতুন দায়িত্ব, সম্পর্ক সামলানো ও স্ট্রেস খাবার খাওয়ার অভ্যাস বদলাতে পারে।
৮. সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠান: অতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়া ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
৯. শারীরিক সক্রিয়তা কমে যাওয়া: ঘরকেন্দ্রিক জীবন ও বসে থাকার অভ্যাস মেদ বাড়াতে পারে।
১০. গর্ভধারণ ও সন্তান জন্ম: গর্ভাবস্থায় ওজন বাড়া স্বাভাবিক, পরে ফিটনেসে মনোযোগ কমে স্থায়ী মেদ তৈরি হতে পারে।
পরামর্শ:
নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, জাঙ্ক ফুড কম খাওয়া, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং সন্তান জন্মের পর ধীরে ধীরে ফিটনেস রুটিনে ফেরা।
সচেতন থাকলে ও নিয়ম মেনে চললে বিয়ের পরও সুস্থ ও ফিট থাকা সম্ভব।



