চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে চতুর্থ দিনেও অচলাবস্থা কাটেনি। নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম অনলাইনে যোগদানের পর আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নতুন উপাচার্যকে ‘লাল কার্ড’ দেখিয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ‘অনলাইন ভিসি মানি না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তারা জানান, নতুন উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
শিক্ষার্থীরা সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন। তাদের কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতিতে যুক্ত হয়েছেন।
গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক সায়েমকে সরিয়ে কুয়েটের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়। এর পর থেকেই শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এতে ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাব ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
নতুন উপাচার্য ২৪ সেপ্টেম্বর অনলাইনে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি জানান, দ্রুত ক্যাম্পাসে গিয়ে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি সমাধানের চেষ্টা করবেন।
চুয়েট শিক্ষক সমিতিও নতুন উপাচার্যের নিয়োগের বিরোধিতা করে জরুরি সেবা ছাড়া সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা জানিয়েছেন, সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে।



