অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
১৩তম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া নিপুণ রায় চৌধুরী-এর দাখিল করা হলফনামা ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। হলফনামায় তার এবং তার স্বামী অমিতাভ রায়-এর নামে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য উঠে এসেছে।
দাখিলকৃত তথ্য অনুযায়ী, নিপুণ রায় চৌধুরীর নিজের নামে রয়েছে ৫০২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান ধাতুর গয়না। অন্যদিকে তার স্বামীর নামে রয়েছে আরও ১০০ ভরি গয়না। সব মিলিয়ে দম্পতির কাছে মোট ৬০২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। হলফনামায় এসব গয়না উপহার হিসেবে পাওয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে অর্জনকালীন মূল্য নির্দিষ্ট করা হয়নি।
পেশায় আইনজীবী নিপুণ রায়ের বার্ষিক আয়ের প্রধান উৎস তার পেশাগত কাজ ও বিনিয়োগ। তিনি বছরে প্রায় ২৬ লাখ টাকা আয় করেন এবং শেয়ার ও ব্যাংক আমানত থেকে অতিরিক্ত প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা আয় হয়। তার নামে ব্যাংকে স্থায়ী আমানত রয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ ২১ হাজার টাকা। এছাড়া তার নিজের নামে দুটি গাড়ি রয়েছে, যার ক্রয়মূল্য প্রায় ১ কোটি ১১ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তার অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে।
অন্যদিকে তার স্বামী অমিতাভ রায়ের নামে অস্থাবর সম্পদের মূল্য সাড়ে তিন কোটি টাকার বেশি উল্লেখ করা হয়েছে। নগদ অর্থের হিসেবে স্বামী-স্ত্রীর যৌথভাবে রয়েছে প্রায় ৭৬ লাখ টাকা, যার মধ্যে ১৩ লাখ ২৯ হাজার টাকা নিপুণ রায়ের নিজের নামে।
স্থাবর সম্পদের মধ্যে নিপুণ রায় চৌধুরী ৮৫ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাটের তথ্য দিয়েছেন, যদিও এর সুনির্দিষ্ট অবস্থান উল্লেখ করা হয়নি। একই সঙ্গে তার নামে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকার ব্যাংকঋণ ও ব্যক্তিগত দায়ের তথ্যও হলফনামায় রয়েছে।
রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী পরিবার থেকে উঠে আসা নিপুণ রায় চৌধুরী নিতাই রায় চৌধুরী-এর মেয়ে এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায়-এর পুত্রবধূ। বর্তমানে তিনি ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।



