ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শেষে চট্টগ্রামে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে বাংলাদেশ জাতীয় দলের স্পিনার নাঈম হাসান পুলিশের দ্বারা হয়রানি ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ তুলে সংবাদমাধ্যমের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।
২৫ বছর বয়সী এই টেস্ট ক্রিকেটার দাবি করেন, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের শেষ ম্যাচ খেলে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে প্রায় রাত সাড়ে দশটায় অবতরণ করার পর তিনি সিএনজি অটোরিকশা করে বাসায় যাচ্ছিলেন। টোল প্লাজার কাছে ট্রাফিক পুলিশ তাদের থামিয়ে গাড়ি তল্লাশির কথা বলে এবং একপর্যায়ে নিজেদেরকে গোয়েন্দা শাখার সদস্য পরিচয় দেওয়া কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা তাকে আটকানোর চেষ্টা করেন। নাঈমের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি দ্রুতই জটিল হয়ে উঠলে উপপরিদর্শক শফিক তাকে একটি গাড়িতে তুলে দরজা বন্ধ করে দেন এবং ‘তুমি একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি, চুপচাপ থাকো এবং একটি কথাও বলবে না’ বলে শারীরিকভাবে নির্যাতন ও গলা চেপে ধরেন। সাহায্যের জন্য ফোন করার চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয় এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। আশপাশের শতাধিক মানুষ ও উপস্থিত লোকজন তাকে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে শনাক্ত করলেও তা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে তাকে জোরপূর্বক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নিজের পরিচয় জানানোর পর প্রথমে তাকে নিচের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে বলা হলেও, পরবর্তীতে তার পরিচয় নিশ্চিত করে বিভিন্ন জায়গা থেকে ফোনকল আসতে থাকলে পুলিশের আচরণ পরিবর্তন হয়ে যায়। বারবার নিজের পরিচয় ও নির্দোষিতা প্রকাশের পরও কেন তাকে এভাবে আটক ও লাঞ্ছিত করা হলো, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও আবেগাপ্লুত হয়ে প্রশ্ন তোলেন এই ক্রিকেটার।



