নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন হওয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের নির্ধারিত ৫ নম্বর ঘাট পরিদর্শনকালে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে শারদীয় দুর্গাপূজার সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করায় সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বী, পুলিশ বাহিনী, আনসার বাহিনী, র্যাব, বিজিবি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ডিজিএফআই, এনএসআই, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজসহ জেলার সকল মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
তিনি বলেন, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আপনাদের এই সহযোগিতা না থাকলে এত সুন্দর ও মসৃণভাবে এই শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন করা সত্যিই কঠিন হতো। আপনাদের প্রতি তাই আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
তিনি বলেন, এ পূজায় আমরা যে বন্ধন, যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দেখেছি, এটিই বাংলাদেশ। আমরা এ ঐতিহ্যকে ধারণ করেছি এবং বিশ্ববাসীকে দেখাতে চাই।
ডিসি বলেন, আশা করি এভাবেই সম্প্রীতির বন্ধন ধরে রেখে ভবিষ্যতের আয়োজনও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে।
সর্বোচ্চ ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫ নম্বর ঘাট পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ ৬২ বিজিবির পরিচালক লে. কর্নেল খন্দকার সালাউদ্দিন চৌধুরী, র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম সাজ্জাদ হোসেন, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মেজর আয়াজ আব্দুল্লাহ, জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট কানিজ ফারজানা শান্তা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিলুফা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আলমগীর হোসাইন, পূজা উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি শংকর কুমার দে, সাধারণ সম্পাদক শিপন সরকার, পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্য সচিব কার্ত্তিক ঘোষসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, আমরা গত ৫ দিনে প্রতিটি উপজেলা ঘুরে দেখেছি। পূজা শুরু হওয়ার আগেও পূজার প্রস্তুতি দেখতে আমি নিজে একাধিক উপজেলায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়েছি। আমাদের পরামর্শ অনুযায়ী পূজা কমিটি নিজেরাও নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় স্বেচ্ছাসেবক ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।
ফলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়েছে।



