পাবনায় শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে উদ্বেগজনক হারে সমকামিতা ও এইচআইভি এইডস রোগ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে এবং জেলায় ইতোমধ্যে ১ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি সমকামী শনাক্তের পাশাপাশি ১৬ জনের শরীরে এইডস শনাক্ত করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক কর্মশালায় হাসপাতালের ‘কি পপুলেশন্স-কেপি সেন্টারের’ পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। ‘বাংলাদেশে মানবাধিকার ও এইচআইভি : গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এই কর্মশালায় পাবনা জেলার এইচআইভি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় ও করণীয় তুলে ধরেন পাবনা জেনারেল হাসপাতালের কেপি সেন্টারের ফোকাল পার্সন ডা. মনিরুজ্জামান এবং সেন্টার ম্যানেজার ডা. আহসানুল কবির। এতে বলা হয়েছে, পাবনায় শিরায় মাদক গ্রহণকারী, নারী যৌনকর্মী, পুরুষ যৌনকর্মী, সমকামী ও হিজড়া জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে এইচআইভি ছড়াচ্ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাবনায় ১ হাজার ৬১৫ জন সমকামী, ৭৬৫ জন নারী যৌনকর্মী, ৯০৮ জন পুরুষ যৌনকর্মী, ১১০ জন হিজড়া এবং ৪৮৪ জন শিরায় মাদকগ্রহণকারী শনাক্ত করা হয়েছে। পাবনায় এখন পর্যন্ত যে ১৬ জনের শরীরে এইচআইভি এইডস শনাক্ত করা হয়েছে, তার মধ্যে ৭ জনই সমকামী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
কর্মশালায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. রফিকুল হাসান, পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এ বি এম ফজলুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, পাবনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, কোষাধ্যক্ষ প্রবীর কুমার সাহাসহ জেলার ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও ডিজিটাল গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



