অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
কিডনি রোগকে অনেকেই ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলেন, কারণ শুরুতে তেমন উপসর্গ না থাকলেও ভেতরে ভেতরে ক্ষতি চলতে থাকে—বিশেষ করে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে।
অভিজ্ঞ ডায়াবেটোলজিস্ট ডা. ব্রিজমোহন অরোরা জানিয়েছেন, সময়মতো পরীক্ষা করালে কিডনির ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। তার মতে, শুধু রক্তে ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা নয়, ‘ইউরিন এসিআর’ (অ্যালবুমিন-টু-ক্রিয়েটিনিন রেশিও) টেস্ট কিডনির প্রাথমিক ক্ষতি দ্রুত শনাক্ত করতে বেশি কার্যকর।
রক্তে ক্রিয়েটিনিন ১.৩-এর বেশি হলে তা উদ্বেগজনক হতে পারে। তবে ইউরিন এসিআর পরীক্ষায় কিডনি থেকে অল্প পরিমাণ প্রোটিন লিক হচ্ছে কি না তা আগেই ধরা পড়ে। স্বাভাবিকভাবে এই মান ৩০-এর নিচে থাকা উচিত।
চিকিৎসকদের মতে, কিডনি রোগ দেরিতে ধরা পড়লে ডায়ালাইসিসের মতো জটিল চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। তাই বছরে অন্তত এক থেকে দুইবার কিডনি ফাংশন ও ইউরিন এসিআর পরীক্ষা করানো উচিত—
- ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি
- উচ্চ রক্তচাপের রোগী
- পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস আছে এমন ব্যক্তি
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, উপসর্গের জন্য অপেক্ষা না করে নিয়মিত স্ক্রিনিং করানোই কিডনি সুরক্ষার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।



