গণঅধিকার পরিষদের সাবেক নেতা ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা দেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান বলেন, মাহফুজ আলমের ভূমিকা নিয়ে আব্দুল কাদেরের বক্তব্য প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তার দাবি, গণঅভ্যুত্থানে বিভিন্ন সংগঠনের অবদান নিয়ে অতিরঞ্জিত দাবি না করে প্রত্যেকের প্রকৃত ভূমিকা স্বীকার করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, মাহফুজ আলম তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ২ আগস্ট রাতে অনলাইনে এক দফা ঘোষণার বিপক্ষে ছিলেন তারা এবং ৩ আগস্ট শহীদ মিনারে জনসমক্ষে ঘোষণা দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। রাশেদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় একটি নির্দিষ্ট পক্ষ থেকে দ্রুত ঘোষণা দেওয়ার চাপ ছিল।
রাশেদ খানের দাবি, ৩ আগস্ট সেনাপ্রধানের বক্তব্য, যেখানে তিনি বলেন সেনাবাহিনী ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালাবে না, তা আন্দোলনকারীদের মধ্যে নতুন সাহস তৈরি করেছিল। তার মতে, ১ আগস্ট থেকেই সেনাবাহিনীর অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যায় এবং এর প্রভাব আন্দোলনের গতিপথে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সেনাবাহিনী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্রশিবির, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত ভূমিকা ছিল। এক দফা ঘোষণার সিদ্ধান্তও সম্মিলিতভাবে নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।
রাশেদ খান আরও মন্তব্য করেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলনের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তে ছিলেন না। এ বিষয়ে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের, রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকার বক্তব্য দিলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।



