ঢাকার কেরানীগঞ্জে তরুণী তানজিলা হত্যার ঘটনায় রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটির দাবি, ৩০ হাজার টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রেমিক মো. রানা হাওলাদার তাকে গলা কেটে হত্যা করেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ এসব তথ্য জানান।
পিবিআই জানায়, গত ২৭ জুলাই দুপুরে কেরানীগঞ্জের বাঘৈর এলাকার বাসা থেকে বের হন তানজিলা। পরদিন সকালে কালিন্দী মদীনানগর মাদরাসা ও মসজিদের পশ্চিম পাশের একটি খালি প্লট থেকে তার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা নাসলিমা বেগম অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার ভোরে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকা থেকে রানা হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রানা ও তানজিলার মধ্যে গত ৬-৭ মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি তানজিলা রানার কাছে ৩০ হাজার টাকা চাইলে তা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।
পিবিআই জানায়, ঘটনার দিন রানা তার অটোরিকশায় করে তানজিলাকে নিয়ে বের হন। পরে কালিন্দী এলাকায় বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে তাকে হত্যা করা হয় বলে জবানবন্দিতে স্বীকার করেছেন রানা।
পুলিশ আরও জানায়, হত্যার পর তানজিলার দুটি স্মার্টফোন, একটি রুপার চেইন ও ব্রেসলেট নিয়ে মরদেহ ফেলে পালিয়ে যান রানা। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।



