বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের জার্সি বিক্রিতে নতুন উন্মাদনা তৈরি হয়েছে হামজা চৌধুরীকে ঘিরে। গত দেড় বছরে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে এই মিডফিল্ডারের নাম-নম্বর সংবলিত জার্সি-সংখ্যাটি প্রায় ৫ হাজার।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে কিট স্পন্সর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয় দৌড়। শুরুতে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রিতে সাড়া তুলনামূলক কম থাকলেও হামজা চৌধুরী বাংলাদেশ দলে যোগ দেওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়।
দৌড়ের তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে প্রায় ৩৫ হাজার জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশের বেশি জার্সিতে খেলোয়াড়দের নাম ও নম্বর যুক্ত ছিল। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন হামজা চৌধুরী।
১ হাজার ৪০০ টাকা দামের অফিশিয়াল জাতীয় দলের জার্সিতে হামজার নাম ও নম্বর যুক্ত করে নিয়েছেন প্রায় ৫ হাজার সমর্থক। এরপর সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও প্রবাসী মিডফিল্ডার শমিত সোমের জার্সি।
দৌড়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবিদ আলম চৌধুরী জানান, হামজা বাংলাদেশে আসার পর জাতীয় দলের প্রতি সমর্থকদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তার জার্সির চাহিদাও গত দেড় বছরে সবচেয়ে বেশি ছিল।
এদিকে নতুন জাতীয় দলের জার্সিও উন্মোচন করেছে দৌড়। নতুন জার্সি ঘিরে এরই মধ্যে সমর্থকদের কাছ থেকে এক হাজারের বেশি অর্ডার পাওয়া গেছে।
আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশের মাটিতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। টুর্নামেন্টকে ঘিরে জাতীয় দলের জার্সির চাহিদা আরও বাড়বে বলে আশা করছে দৌড়। এক বছরে এক লাখ জার্সি বিক্রির লক্ষ্যও নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
নতুন জার্সি তৈরিতে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদেরও যুক্ত করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে থাকা সমর্থকদের কাছ থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০টি ডিজাইন সংগ্রহ করা হয়। সেখান থেকে ৩৪টি উপাদান বাছাই করে তৈরি করা হয়েছে নতুন জার্সি।
হোম জার্সির মূল থিম হিসেবে রাখা হয়েছে মাতৃভাষা বাংলা। বিশেষ প্রযুক্তি ও নকশায় তৈরি এই জার্সির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, মাত্র আট মিনিটে ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা।
খেলোয়াড়দের জন্য তৈরি জার্সির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। আর সমর্থকদের জার্সির মূল্য ৭০০ টাকা।



