শেষ মুহূর্তের গোলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হার এড়াল ব্রাজিল। টাউনসভিলে প্রীতি ম্যাচে ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও যোগ করা সময়ে রায়ানের হেডে ১-১ সমতা নিয়ে মাঠ ছেড়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় নরওয়ের কাছে হারের পর এটিই ছিল ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচ। নতুন চক্রের শুরুতে এস্তেভাও, এনদ্রিক, রাফিনিয়া ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে নিয়ে আক্রমণ সাজিয়েছিলেন আনচেলত্তি। তবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের শুরুটা ছিল নিষ্প্রভ।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। ৪৫ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার জালে বল পাঠান এস্তেভাও। তবে আক্রমণের শুরুতে হ্যারি সাউটারকে ব্রুনো গিমারায়েস ফাউল করেছেন বলে ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল করেন রেফারি। ফলে গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা চাপ বাড়ালেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না ব্রাজিল। উল্টো ৬৭ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে দেন নেস্টরি ইরানকুন্ডা। বক্সের কাছ থেকে তার বাঁকানো শট দেয়াল টপকে জালে জড়ায়। গোলরক্ষক হুগো সৌজার দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া খুব বেশি কিছু করার ছিল না।
গোল হজমের আগেই ভিনিসিয়ুস ও এনদ্রিককে তুলে স্যামুয়েল লিনো ও পেদ্রোকে মাঠে নামিয়েছিলেন আনচেলত্তি। পরে মাঠে আসেন রায়ান, মাউরো জুনিয়র ও জায়ারও। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণ ভাঙতে পারছিল না ব্রাজিল।
হার যখন প্রায় নিশ্চিত, তখনই ম্যাচে নাটকীয় মোড় আসে। যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে রাফিনিয়ার কর্নার থেকে হেড করেন বদলি রায়ান। বল অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ ও ক্রসবার ছুঁয়ে গোললাইন পেরিয়ে যায়। শেষ মুহূর্তের সেই গোলে ১-১ সমতা ফেরায় ব্রাজিল।
ম্যাচে বলের দখল বেশি থাকলেও সুযোগ তৈরিতে ভুগেছে ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুসও ছিলেন অনেকটাই নিষ্প্রভ। অন্যদিকে সীমিত সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রায় ঐতিহাসিক জয় তুলে নেওয়ার পথে ছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ মুহূর্তে রায়ানের গোলে তাদের সেই সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।
আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রিসবেনে আবারও মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া। এরপর ৩ অক্টোবর ভারতে গিয়ে স্বাগতিকদের বিপক্ষে খেলবে আনচেলত্তির দল।



