কক্সবাজারের রামুতে এক থেকে দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি নাগরিক সাজিয়ে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে রামুর বিভিন্ন ইউনিয়নের ঠিকানা ব্যবহার করে অন্তত ১২ জনের নতুন ভোটার হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, খুনিয়াপালং, দক্ষিণ মিঠাছড়ি, ঈদগড় ও গর্জনিয়ার বিভিন্ন এলাকার ঠিকানা ব্যবহার করে এসব ব্যক্তিকে ভোটার করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, ভোটার তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের কাউকেই তারা চেনেন না।
ঈদগড় ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন সিকদার এবং কয়েকজন ইউপি সদস্যের অভিযোগ, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের স্থানীয় বাসিন্দা পরিচয়ে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় নির্বাচন অফিসের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ কেউ জড়িত থাকতে পারেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, রামুতে প্রতিবছর অবৈধভাবে শত শত রোহিঙ্গাকে ভোটার করা হচ্ছে এবং একজনকে ভোটার করতে এক থেকে দেড় লাখ টাকা নেওয়া হয়। এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে রামু উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের অফিস সহায়ক নুর মোহাম্মদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, সন্দেহজনক ভোটারদের জন্মনিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদ, বাবা-মায়ের পরিচয়, ঠিকানা ও জনপ্রতিনিধিদের প্রত্যয়ন পুনরায় যাচাই করা হোক।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান জানান, রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়ার বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



