দেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদারের লক্ষ্যে সাধারণ নাগরিকদের প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করছে ইরান। ‘জানফাদা’ কর্মসূচির আওতায় বেসামরিক স্বেচ্ছাসেবকদের এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
ইরানের সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিষয়ক উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা আলিয়ান-নেজাদ জানিয়েছেন, তেহরানের তিনটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনীর চার শাখার সদস্যরা নির্ধারিত প্রশিক্ষণকেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেবেন।
কর্মসূচির আওতায় অংশগ্রহণকারীদের প্রথমে প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরে তারা তুলনামূলক উন্নত প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। জাতীয় প্রতিরক্ষার প্রয়োজন দেখা দিলে কাজে লাগানো যায়—এমন মৌলিক সামরিক জ্ঞান ও প্রস্তুতি তৈরি করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা।
ইরানের সেনাবাহিনী তেহরানে তিনটি বড় প্রশিক্ষণকেন্দ্র এই কর্মসূচির জন্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে ইমাম আলী অফিসার্স ইউনিভার্সিটি, হজরত জাওয়াদ আল-আইম্মাহ নন-কমিশন্ড অফিসার্স ট্রেনিং সেন্টার এবং শহীদ শাবান কমান্ডো ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে বলে ইরানি সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে।
এর আগে ‘জানফাদা’ কর্মসূচির আওতায় স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু করে ইরানের বাসিজ বাহিনী। সেখানে স্বেচ্ছাসেবকদের সামরিক প্রশিক্ষণ ও সংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে এসব প্রশিক্ষণ কোর্সের নির্দিষ্ট মেয়াদ, মোট কতজন স্বেচ্ছাসেবক এতে অংশ নেবেন এবং তেহরানের বাইরে কর্মসূচিটি কবে বা কীভাবে সম্প্রসারণ করা হবে—এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।



