অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউস থেকে ঘোষণা করছিলেন যে ইরানের সামরিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। ঠিক কয়েক মিনিটের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে ট্রাম্পের ভাষণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইরান ইসরায়েলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। হামলাটি ট্রাম্পের ‘চূড়ান্ত বিজয়’ দাবির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে। ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে ছোঁড়া এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত হওয়ায় বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। হোম ফ্রন্ট কমান্ড সাধারণ মানুষের জন্য সতর্কবার্তা তুলে দিয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক বলে ঘোষণা করেছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ট্রাম্পের ভাষণে করা দাবির পাল্টা জবাব হিসেবেই হামলা চালানো হয়েছে। তেহরান জানাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন বিশ্বকে বোঝাতে চেয়েছিলেন যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার নিঃশেষ, ঠিক তখনই তারা তাদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন গোয়েন্দা ও সামরিক অভিযানের পরও ইরান বড় ধরনের হামলা চালানোর ক্ষমতা রাখে, যা এ ঘটনাই প্রমাণ করছে।
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, গত চার সপ্তাহে মার্কিন বাহিনী ইরানের নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি প্রায় সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ইরান গোপনে পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করলেও মার্কিন সেনারা সেগুলো খুঁজে বের করে ধ্বংস করেছে। তবে এই হামলা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এখনও সম্পূর্ণভাবে নিঃশেষ হয়নি।



