অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ৩৩ দিনে পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের কারণে বিশ্বের তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং তেলের দাম আকাশচুম্বী। বিশেষ করে তেল আমদানিনির্ভর বাংলাদেশ এ পরিস্থিতিতে বড় ধাক্কা পেতে পারে।

তেলের জন্য অপেক্ষা করছে বহু মোটরসাইকেলচালক। ছবি সংগৃহীত
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। পাম্পে তেল ফুরিয়ে যাচ্ছে, ফলে পরিবহনকর্মী ও সাধারণ মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা সারিতে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করছেন। যানবাহনের সংখ্যা কমে যাওয়ায় রাজধানীর ব্যস্ত সড়কগুলোও শান্ত।

সরকার জ্বালানি রেশনিং, ডিজেল বিক্রিতে নিয়ন্ত্রণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের মতো পদক্ষেপ নিতে পারে। দেশের একমাত্র পূর্বাঞ্চলীয় শোধনাগার ও তেলের মজুত সীমিত। ডিজেল ও অকটেনের মজুতও দ্রুত কমছে।
বাংলাদেশ নতুন উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করছে। বিভিন্ন দেশ ও রাশিয়া থেকে তেল সংগ্রহের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকার দাবি করছে, দেশে কোনো সংকট নেই, তবে বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন।



