অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে চট্টগ্রাম বন্দরে বেড়েছে জ্বালানি তেলের সরবরাহ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) একদিনেই বন্দরে পৌঁছাতে যাচ্ছে মোট ৬১ হাজার টন ডিজেল।
ভোরে সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে হংকংয়ের পতাকাবাহী জাহাজ ‘ইয়ান জিং হে’ (YAN JING HE) চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছেছে। জাহাজটি বর্তমানে ডলফিন জেটিতে বার্থিংয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার রাতেই মালয়েশিয়া থেকে আরও ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ (SHAN GANG FA ZHAN) নামের আরেকটি জাহাজ বন্দরে নোঙর করবে। এতে একদিনেই মোট ৬১ হাজার টন ডিজেল বন্দরে পৌঁছাবে।
জাহাজ দুটির শিপিং এজেন্ট ‘প্রাইড’-এর স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম জানান, প্রথম জাহাজটিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জেটিতে ভেড়ানোর প্রস্তুতি চলছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত মার্চ মাসে বন্দরে মোট ৩৩টি জ্বালানি পরিবাহী জাহাজ ভিড়েছে। এর মধ্যে ছিল জ্বালানি তেলবাহী ১৫টি, এলএনজিবাহী ৮টি এবং এলপিজিবাহী ৯টি জাহাজ।
মার্চে আগত ৯টি এলপিজি জাহাজের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন রান্নার গ্যাস (এলপিজি) খালাস করা হয়েছে। এসব চালান সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি করা হয়, যেখানে জাহাজভেদে পণ্যের পরিমাণে ভিন্নতা ছিল।
ওমেরা, বেক্সিমকো ও যমুনা গ্যাসসহ শীর্ষ আমদানিকারকরা বড় এলপিজি ক্যারিয়ার (VLGC) ব্যবহার করে বহির্নোঙরে মাদার ভ্যাসেল থেকে লাইটারেজ প্রক্রিয়ায় পণ্য খালাস সম্পন্ন করেছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বন্দরে পৌঁছানো এই বড় ডিজেল চালান সেচ মৌসুম ও শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমোডর আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহ জানান, ‘ইয়ান জিং হে’ জাহাজটিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শনিবার একটি এলএনজি পরিবাহী জাহাজ আসার শিডিউল রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে দ্রুততার সঙ্গে এসব পণ্য খালাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।



