বিশ্বকাপ জয়ের পর চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়দের গোলপোস্টের জাল কেটে সংগ্রহ করতে দেখা যায়। ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের পর স্পেনের ফুটবলাররাও গোলপোস্টের জালের অংশ কেটে স্মারক হিসেবে নিজেদের কাছে রেখে দেন। এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্পেনের ফেরান তোরেস, লামিন ইয়ামাল, উনাই সিমনসহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় কাঁচি দিয়ে গোলপোস্টের জালের অংশ কেটে নেন। এরপর অনেক ফুটবলপ্রেমীর মনে প্রশ্ন ওঠে—চ্যাম্পিয়ন দল কেন এমন করে?
আসলে ফুটবলে এটি খুব প্রচলিত কোনো রীতি নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ বাস্কেটবলে বড় শিরোপা জয়ের পর বাস্কেটের জাল কেটে স্মারক হিসেবে সংরক্ষণ করার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে।
এই ঐতিহ্যের সূচনা হয় ১৯৪৭ সালে। সে বছর নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কোচ এভারেট কেস সাদার্ন কনফারেন্স শিরোপা জয়ের পর বাস্কেটের জাল কেটে স্মারক হিসেবে সংরক্ষণ করেন। এরপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ বাস্কেটবলে এটি বিজয় উদযাপনের প্রতীক হয়ে ওঠে।
যেহেতু এবারের বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাই স্পেনের ফুটবলাররা সেই ঐতিহ্য অনুসরণ করে গোলপোস্টের জালের অংশ সংগ্রহ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বজয়ের স্মৃতি ধরে রাখতেই তারা এমন ব্যতিক্রমী উদযাপন করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর আর্জেন্টিনার তারকা আনহেল ডি মারিয়াকেও ফাইনালের গোলপোস্টের জালের একটি অংশ সংগ্রহ করতে দেখা গিয়েছিল। ফলে বিশ্বকাপজয়ী দলের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে গোলপোস্টের জাল সংরক্ষণের এই ব্যতিক্রমী রীতি ধীরে ধীরে আলোচনায় আসছে।



