অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক
আমির-সাঈদ ইরাভানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে আগে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে, তবেই নতুন করে আলোচনা শুরুর পরিবেশ তৈরি হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে চলাই আলোচনায় ফেরার প্রধান পূর্বশর্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
United Nations-এ নিযুক্ত ইরানের এই রাষ্ট্রদূত দেশটির সংবাদমাধ্যম শরঘকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। তিনি জানান, চলমান উত্তেজনার মধ্যে সরাসরি আলোচনায় ফেরার মতো অনুকূল পরিবেশ এখনও তৈরি হয়নি। তার মতে, প্রথমে উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শন করতে হবে এবং যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে।
ইরাভানি আরও ইঙ্গিত দেন, ইরানের ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে নেওয়া হলে পরবর্তী দফার আলোচনা পাকিস্তানের রাজধানী Islamabad-এ অনুষ্ঠিত হতে পারে। তিনি মনে করেন, আস্থার পরিবেশ তৈরি হলে আলোচনার পথ আবারও উন্মুক্ত হতে পারে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান পরিস্থিতির উন্নয়নে কূটনৈতিক পথ খোলা রাখলেও বাস্তব পরিস্থিতির ওপরই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করবে।
ইরাভানি জোর দিয়ে বলেন, ইরান সম্ভাব্য সব পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তার দাবি, সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা ইরানের পক্ষ থেকে শুরু হয়নি। বরং তারা শুরু থেকেই সংঘাত এড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
তিনি বলেন, ইরান কোনো সংঘাত শুরু করেনি এবং অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা বাড়ানোর পক্ষেও নয়। তবে নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে দেশটি প্রস্তুত রয়েছে।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই রাজনৈতিক সমাধান চায়, তাহলে ইরান আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। কিন্তু যদি যুদ্ধের পথ বেছে নেওয়া হয়, সেক্ষেত্রেও ইরান পিছু হটবে না এবং নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানে থাকবে।



