অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর ধারাবাহিক হামলার পরও ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ধরে রেখেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। সাম্প্রতিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির পরও দেশটির প্রতিরক্ষা শক্তি পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি।
হোয়াইট হাউস এবং মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ–এর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে ইরানের সামরিক শক্তিকে তুলনামূলক কম করে দেখানো হলেও ভেতরের বিশ্লেষণে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তার তথ্যমতে, গত ৭ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার সময়ও ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় অর্ধেক ভাণ্ডার অক্ষত ছিল।
একই সময়ে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী–এর নৌ শাখার প্রায় ৬০ শতাংশ সক্ষমতা বজায় ছিল, যার মধ্যে দ্রুতগতির যুদ্ধ নৌযানও রয়েছে। এছাড়া ইরানের বিমান বাহিনীর প্রায় দুই–তৃতীয়াংশ তখনও কার্যকর ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান কংগ্রেসে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ইরান এখনো বড় ধরনের ক্ষতি করার সক্ষমতা রাখে। মেরিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেমস এডামস জানান, ইরানের কাছে এখনো হাজারো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে, যা পুরো অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য হুমকি হতে পারে।
অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনী ধ্বংস করে দিয়েছে। একইভাবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’কে ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দীর্ঘ সময়ের জন্য দুর্বল হয়ে পড়েছে।
তবে এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির খাতাম আল–আম্বিয়া সদর দপ্তরের কমান্ডার আলি আব্দুল্লাহি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এখনো পরিস্থিতির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে এবং বাস্তবতা বিকৃত করার সুযোগ দেওয়া হবে না।



