অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক
হাড় শরীরের কাঠামো তৈরি করে, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ রক্ষা করে এবং শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের ঘনত্ব কমতে পারে, ফলে অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়ে।
হাড় প্রতিনিয়ত পুরোনো অংশ ভেঙে নতুন অংশ তৈরির মাধ্যমে নিজেকে পরিবর্তন করে। সাধারণত ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত হাড়ের সর্বোচ্চ ঘনত্ব তৈরি হয়, এরপর ধীরে ধীরে ক্ষয় শুরু হয়।
হাড় দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে বয়স, লিঙ্গ, বংশগতি, শারীরিক গঠন এবং জীবনযাত্রার কারণে। ধূমপান, অ্যালকোহল, কম ওজন ও অনিয়মিত জীবনযাপন হাড়ের জন্য ক্ষতিকর।
হাড় মজবুত রাখতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় খনিজ গ্রহণ করা জরুরি। দুধ, ছোট মাছ, ডিম, বাদাম, শাকসবজি ও সামুদ্রিক খাবার হাড়ের জন্য উপকারী।
সূর্যের আলোতে কিছু সময় থাকা ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে, যা হাড় শক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
নিয়মিত হাঁটা, দৌড়ানো, ব্যায়াম ও ভার বহনকারী শারীরিক কার্যক্রম হাড়কে শক্তিশালী করে এবং নতুন হাড় গঠনে সহায়তা করে।
সুষম খাদ্য ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন হাড়ের সুস্থতা ধরে রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।



