অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও বেড়েছে। সোমবার এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরুর পরপরই ব্রেন্ট ক্রুড ও যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়।
মূল পয়েন্টগুলো:
• ট্রাম্পের প্রত্যাখ্যান: ইরানের দেয়া সর্বশেষ প্রস্তাবকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তান মারফত পাঠানো তেহরানের যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো পছন্দ হয়নি ওয়াশিংটনের।
• আকাশচুম্বী দাম: আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪.১% বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.৫০ ডলার হয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম বেড়ে ঠেকেছে ৯৯.৮০ ডলারে।
• অচল হরমুজ প্রণালি: বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ কার্যত অচল হয়ে পড়ায় বাজারে অস্থিরতা চরমে। বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
• নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি: ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ থামবে না।
• কোম্পানিগুলোর মুনাফা: সংকটের প্রভাবে জ্বালানি কোম্পানিগুলোর আয় বাড়ছে। সৌদি আরামকো জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে তাদের আয় গত বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে।
সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ:
ওয়াশিংটন চায় হরমুজ প্রণালিতে অবাধ চলাচল এবং ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম স্থগিত। কিন্তু তেহরানের পাল্টা শর্ত ও ইসরায়েলের কঠোর অবস্থানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে পড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে।



