অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ঘোষিত সময়সূচি পুনরায় পরিবর্তন বা পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি স্বাভাবিক ও সেশনজটমুক্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে একাধিক দফায় মতবিনিময় ও বৈঠক করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেসব আলোচনার ওপর ভিত্তি করেই মূলত আগামী পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার আগেই ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করার একটি প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল।
প্রস্তাবিত ও ঘোষিত সেই সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় পরীক্ষা বেশ কয়েক মাস এগিয়ে আনার এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা এবং নানামুখী সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই প্রতিক্রিয়া ও উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান, নতুন সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা এগিয়ে আনা হলেও শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে কোনো ধরনের ঘাটতি থাকবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সম্পূর্ণ পাঠ্যক্রম বা সিলেবাস সম্পন্ন করা হবে এবং পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতিও নিশ্চিত করা হবে। এই পুরো বিষয়টি সম্পর্কে দেশের প্রধানমন্ত্রীও পুরোপুরি অবগত রয়েছেন।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনা ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতাকে সরকার ইতিবাচকভাবে দেখছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন স্পষ্ট করে বলেন, যদি পরীক্ষার্থী, অভিভাবক এবং অন্যান্য অংশীজনদের যৌক্তিক মতামত ও আপত্তি থাকে, তবে তাদের সেই মতামতের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনবোধে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি পুনরায় পরিবর্তন বা পুনর্বিবেচনা করার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।



