সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামকে পাঁচটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১০ আগস্ট) তাকে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডলের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাতক্ষীরা আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. মইন উদ্দিন। আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ওসমান গনি, সাইদুর রহমান সাইদ ও আল মাহমুদ পলাশ।
মো. নজরুল ইসলাম (৭৩) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার উত্তর ফিংড়ি গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে। বর্তমানে তিনি শহরের সুলতানপুর এলাকায় বসবাস করেন। তিনি দীর্ঘদিন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই নজরুল ইসলামকে ঢাকার একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
এরপর সাতক্ষিয়ার পাঁচটি হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা গত বুধবার আদালতে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার তাকে ঢাকা কারাগার থেকে সাতক্ষীরা কারাগারে আনা হয়।
সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নজরুল ইসলামকে সাতক্ষীরা কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। দুপুর ১২টার দিকে তাকে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডল পাঁচটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন। একই সঙ্গে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
আদালত চত্বরে নজরুল ইসলাম বলেন, এসব মামলার ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না। তাকে পরিকল্পিতভাবে হয়রানি করতে মামলাগুলোতে তার নাম দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মঈনউদ্দিন জানান, নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় সোমবার দুপুর ১টার দিকে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।



