কক্সবাজারের টেকনাফে মিয়ানমার থেকে পাচারের সময় ১৪ লাখ ইয়াবাসহ দুই পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪২ কোটি টাকা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা সীমান্তের জেলেপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবার বড় চালানটি জব্দ করা হয়। বিজিবির দাবি, এটি তাদের আটক করা অন্যতম বড় ইয়াবার চালান।
আটক ব্যক্তিরা হলেন হ্নীলা ইউনিয়নের ফুলের ডেইল এলাকার জহির হর দাশ ও মো. হোসাইন।
বুধবার বিকেলে টেকনাফ সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
বিজিবি জানায়, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশের তথ্য পেয়ে সীমান্তে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি বিশেষ টহল দল সীমান্তে অবস্থান নেয়।
পরে থার্মাল প্রযুক্তির মাধ্যমে গভীর রাতে হ্নীলা সীমান্তে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় একটি নৌকায় থাকা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ১৪ লাখ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি অধিনায়ক বলেন, সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনবল ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিকূলতার মধ্যেও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে বিজিবি।
কক্সবাজার রামু সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মো. আনোয়ার উল-আলম জানান, চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে অত্যাধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্তে নজরদারি চালানো হচ্ছে। চোরাকারবারিরা নানা কৌশলে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে চোরাকারবারিদের আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি পুলিশের এখতিয়ার।
বিজিবি সূত্র জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) ১ কোটি ৪৩ লাখ ইয়াবা বড়ি জব্দ করেছে এবং ২৪৩ জনকে আটক করেছে। সীমান্তে মাদক ও অন্যান্য অপরাধ দমনে বিজিবির নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।



