নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সচেতন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে। তবে গঠনমূলক সমালোচনা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন এক বিষয় নয়।
রোববার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজের অফিসকক্ষে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা সাইবার বুলিং এবং সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে সরকারি ও বিরোধী দলগুলোর জন্য সর্বসম্মত নীতি এবং আইনগত সুরক্ষা প্রয়োজন।
তিনি প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করে বলেন, নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সচেতন রয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন পরিমার্জনের ক্ষেত্রে গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, জ্যেষ্ঠ সম্পাদক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনের মূল লক্ষ্য হবে ডিজিটাল মাধ্যমে শালীনতা ফিরিয়ে আনা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে আইনটির যেন কোনো ধরনের অপব্যবহার না হয়, সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



