জামালপুরের মাদারগঞ্জে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়মকে (৭) ধর্ষণের পর মেঝেতে মাটিচাপা দিয়ে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রবিবার বিকেলে জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা বলেন, বিদ্যালয়ের পাশেই জামিনুরের বসতবাড়ি।
শিশুটিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশে মাটিচাপা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে।
নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষায় সচেতন সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এর আগে নিখোঁজের তিনদিন পর গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার চরলোটাবর এলাকায় জামিনুর নামে এক ব্যক্তির বসতঘর থেকে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় আটক জামিনুরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত মরিয়ম চরলোটাবর এলাকার বাহাদুর মণ্ডলের মেয়ে। সে সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর মরিয়ম নিখোঁজ হয়।
বিদ্যালয় ছুটির পরও সে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে তাঁর বাবা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জামিনুরকে সন্দেহ হয়। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চরলোটাবর এলাকায় তার বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। সেখানে ঘরের ভেতর মাটিচাপা অবস্থায় মরিয়মের মরদেহ পাওয়া যায়।



