পরীক্ষামূলক সংস্করণ

স্বামীর হাতে নির্যাতনের অভিযোগ ৬২ শতাংশ, অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই নারীর মৃত্যু

স্বামীর হাতে নিয়মিত নির্যাতনের অভিযোগের মধ্যেই অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই নারীর মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে; এর মধ্যে একজনকে বেল্ট দিয়ে মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়, আর অন্যজনের মৃত্যুর আগে মারধরের আঘাতের ছবি স্বজনকে পাঠানোর তথ্য পাওয়া গেছে।

গত সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারীকে চামড়ার বেল্ট দিয়ে মারধর করছেন তাঁর স্বামী। পাশের কক্ষে সন্তানদের কান্নাকাটি শোনা যাচ্ছিল। স্বামীর করা অভিযোগ অস্বীকার করেও ওই নারী মারধরের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছিলেন না।

ভুক্তভোগী ওই নারীর নাম মুক্তা ইসলাম। তাঁর মৃত্যুর পর ভিডিওটি সম্পর্কে জানা যায়।

এর মধ্যেই নির্যাতনের ঘটনায় আল মাইদা আক্তার নামের ২০ বছর বয়সী আরেক নারীর মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা মাইদাকে মৃত ঘোষণা করলে তাঁর স্বামী মো. সিয়াম আল মুরসালিন আকাশ, বয়স ৩০ বছর, সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে পুলিশের কাছে দেন।

পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মৃত্যুর দুই দিন আগে মারধরের কারণে জখম হওয়ার একটি ছবি মাইদা তাঁর খালাতো বোনের কাছে পাঠিয়েছিলেন। ছবিতে তাঁর গালে ব্যান্ডেজ এবং চোখ ফোলা দেখা যায়। মাইদা তখন বলেছিলেন, ‘আপা, ও আমাকে আজও মারছে।’

মুক্তা ইসলামকে নির্যাতনের একটি ভিডিও তাঁর স্বামী সোহেল শিকদার নিজেই মুক্তার ভাই তানভীর রহমানের মুঠোফোনে পাঠিয়েছিলেন। ভিডিওটির সঙ্গে তিনি লিখেছিলেন, ‘তোমার বোনকে নিয়ে যাও।’

ভিডিওতে দেখা যায়, মুক্তাকে খাটের সঙ্গে বেঁধে চামড়ার বেল্ট দিয়ে মারধর করা হচ্ছে। পাশের কক্ষে সন্তানদের কান্না শুনে মুক্তা স্বামীকে বলেন, ‘আমাকে মারবা ঠিক আছে, শুধু দুই বাচ্চারে ঘুম পাড়িয়ে আসি।’

এ সময় মারতে মারতে সোহেল বলছিলেন, ‘কথা ক, কথা ক, তোরে আজ পিটাইয়া মাইরা ফালামু।’

গত ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর খিলক্ষেতের একটি বাসায় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মুক্তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, নির্যাতনের পর মুক্তাকে হত্যা করে তাঁর লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অল্প সময়ের ব্যবধানে ঘটে যাওয়া এই দুই মৃত্যুর ঘটনায় দুই পরিবারের কাছ থেকে জানা যায়, মুক্তা ও মাইদা দুজনই স্বামীর কাছে নিয়মিত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। নির্যাতন সহ্য করেও তাঁরা সংসার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তাঁদের পরিণতি হয়েছে মৃত্যু।

নারী অধিকারকর্মীরা মনে করছেন, পারিবারিক সহিংসতাকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা না করে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়ার সংস্কৃতির কারণে নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছে।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কলের হিসাবেও নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলোর মধ্যে স্বামীর হাতে নির্যাতনের অভিযোগ বেশি হওয়ার চিত্র পাওয়া যায়।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে হত্যা, ধর্ষণ, যৌন হয়রানি, উত্ত্যক্ত করা, আত্মহত্যায় প্ররোচনা, আটকে রাখা, স্বামী, মা-বাবা ও অন্যদের হাতে নির্যাতন, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগে নারী নির্যাতনের মোট ২৭ হাজার ৯১১টি কল এসেছে।

এর মধ্যে স্বামীর হাতে নির্যাতনের অভিযোগ ছিল ১৭ হাজার ১৯৬টি। অর্থাৎ মোট অভিযোগের প্রায় ৬২ শতাংশই ছিল স্বামীর বিরুদ্ধে। হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ে প্রতিদিন গড়ে স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে প্রায় ৭০টি কল এসেছে।

গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট কলের মধ্যে প্রায় ৫৮ শতাংশ ছিল স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ।

মাইদা আক্তারের বাড়ি ও পারিবারিক পরিচয়ও উঠে এসেছে স্বজনদের কথায়। তাঁর স্বামী সিয়ামদের বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের শালমারা গ্রামে। আর মাইদার মায়ের বাড়ি সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুরে।

প্রেমের সম্পর্কের পর ২০২১ সালে সিয়াম ও মাইদার বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে চার বছর ও এক বছর বয়সী দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

মাইদা পলাশবাড়ী সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। দুই ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। তাঁর ভাই বর্তমানে চীনে পড়াশোনা করছেন।

মাইদার বাবা শাহাজাদা মিয়া মারা যাওয়ার পর তাঁর মা মোছা. রহিমা খাতুন, বয়স ৪৮ বছর, ভূমি অফিসে দলিল লেখার কাজ করে দুই সন্তানকে বড় করেছেন।

মাইদার মৃত্যুর পর শোকাহত মা রহিমা খাতুন বলেন, বিয়ের পর থেকেই তাঁর মেয়েকে সিয়াম মারধর করতেন। এ নিয়ে একবার সালিসও হয়েছিল। ওই সময় সিয়াম তাঁকে বলেছিলেন, ‘পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর একটু সমস্যা হতেই পারে। এসব মেনে নিতে হবে।’

রহিমা খাতুন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তাঁর জামাতা তাঁকে ফোন করে বলেন, মাইদা অসুস্থ এবং পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছেন।

তিনি হাসপাতালে গিয়ে দেখতে পান, তাঁর মেয়ে আর বেঁচে নেই। এ সময় জামাতা মাইদার লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান।

মেয়েকে হত্যার অভিযোগে রহিমা খাতুন শুক্রবার পলাশবাড়ী থানায় মামলা করেন। মামলায় জামাতা সিয়ামসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মাইদার খালাতো বোন মোসাম্মৎ শাফিয়া জানান, সিয়ামের মা-বাবা কেউ বেঁচে নেই। তাঁর একমাত্র বোন কাতারে থাকেন।

শাফিয়া বলেন, মাইদা তাঁকে প্রায়ই ফোন করে জানাতেন যে তাঁর স্বামী কথায় কথায় তাঁকে মারধর করেন। মৃত্যুর দুই দিন আগে মাইদা তাঁকে একটি ছবি পাঠিয়ে বলেছিলেন, ‘আপা, ও আমাকে আজও মেরেছে।’

ছবিতে মাইদার মুখে আঘাতের চিহ্ন, চোখ ফোলা এবং গালের এক পাশে ব্যান্ডেজ দেখা যায়।

ছবি দেখে শাফিয়া তাঁকে বলেন, ‘তুই কেন ওই সংসারে থাকিস। তুই চলে আয়।’

জবাবে মাইদা বলেছিলেন, সব সময়ই তাঁকে মারা হয়। তাঁর সন্তানরা ছোট। সংসার ছেড়ে চলে এলে সন্তানরা কষ্ট নিয়ে বড় হবে—এই চিন্তায় তিনি সংসার ছেড়ে যেতে চাইতেন না।

শাফিয়া জানান, মাইদার দুই শিশুসন্তান এখন তাঁদের নানির কাছে রয়েছে। এর মধ্যে বুকের দুধ না পেয়ে ছোট ছেলেটি সারা দিন কান্নাকাটি করে।

তিনি দাবি করেন, মাইদার চার বছর বয়সী সন্তানের কাছ থেকে তাঁরা শুনেছেন, ‘মাকে বাবা অনেক মেরেছে। পরে ফ্যানে ঝুলিয়ে দিয়ে সুইচ ছেড়ে দিয়েছে। পরে বাবার বন্ধুরা ফ্যান থেকে মাকে নামিয়ে আনে।’

শাফিয়া জানান, মাইদাকে ফ্যান থেকে নামিয়ে সিয়াম তাঁর নিজের মাইক্রোবাসে করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সারওয়ার আলম খান বলেন, মাইদার গলায় দাগ ছিল। পুরোনো আঘাতের কিছু চিহ্নও ছিল। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

সিয়াম পুলিশের কাছে বলেছেন, বিকেলে তাঁদের মধ্যে মারপিট হয়। পরে মাইদা ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দেন। তাঁর বন্ধুরা মিলে মাইদার অচেতন দেহ নামিয়ে আনেন। এরপর তিনি মাইদাকে নিয়ে হাসপাতালে যান।

স্বামী বা সঙ্গীর হাতে পারিবারিক সহিংসতার ব্যাপকতার চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত ‘নারীর প্রতি সহিংসতা জরিপ ২০২৪’ প্রতিবেদনে।

গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জীবনসঙ্গী বা স্বামীর হাতে প্রায় ৭০ শতাংশ নারী তাঁদের জীবদ্দশায় অন্তত একবার শারীরিক, যৌন, মানসিক ও অর্থনৈতিক সহিংসতার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণের শিকার হয়েছেন।

জরিপের সময়ের আগের ১২ মাসে ৪১ শতাংশ নারী জীবনসঙ্গী বা স্বামীর হাতে এসব সহিংসতার শিকার হয়েছেন।

বাংলাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতার প্রকৃতি, মাত্রা ও প্রভাব তুলে ধরতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের এটি ছিল তৃতীয় প্রতিবেদন। এর আগে ২০১৫ সালের প্রতিবেদনে ৭৩ শতাংশ এবং ২০১১ সালের প্রতিবেদনে ৮০ শতাংশ নারী স্বামীর হাতে সহিংসতার শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

মাইদার মৃত্যুর ঘটনা গত বছরের আগস্টে রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় সৈয়দা ফাহমিদা তাহসিন, যিনি কেয়া নামেও পরিচিত, তাঁর মৃত্যুর ঘটনাকেও মনে করিয়ে দেয়।

ওই ঘটনায় ফাহমিদার স্বামী সিফাত আলী তাঁর মা-বাবাকে ফোন করে ফাহমিদা অসুস্থ বলে জানান এবং হাসপাতালে আসতে বলেন। হাসপাতালে চিকিৎসকেরা ফাহমিদাকে মৃত ঘোষণা করলে সিফাত তাঁর লাশ রেখে পালিয়ে যান।

চার সন্তানের মা ফাহমিদা আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেছিলেন তাঁর স্বামী। এ ঘটনায় ফাহমিদার মা সিফাতের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

সিফাত দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। পরে আগাম জামিন নিতে হাইকোর্টে গেলে তাঁর জামিনের আবেদন নাকচ হওয়ার পর পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। দেড় মাস কারাগারে থাকার পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। ফাহমিদার চার সন্তান বর্তমানে তাঁদের নানা-নানির কাছে রয়েছে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, পারিবারিক সহিংসতাকে অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার সংস্কৃতি রয়েছে। এই অপরাধকে গ্রহণযোগ্যতার পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একটা মেয়ের জীবনে যেন বিয়েটাই সব! মেয়েটিকে নির্যাতন সহ্য করেও সংসার করতে বলা হয়।

তিনি আরও বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পারিবারিক সহিংসতা (সুরক্ষা ও প্রতিরোধ) আইনের আওতায় ভুক্তভোগীরা বিচার চাইতে পারেন। তবে নারী নির্যাতনের অভিযোগে হওয়া মামলার বিরুদ্ধে একধরনের অপপ্রচার চালানো হয় যে ৯৯ শতাংশই ভুয়া। এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ করে ভুক্তভোগীদের বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে পরিবারগুলো বিচার চাইতে আগ্রহী হয়।

তবে স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগের প্রকৃত সংখ্যা শুধু কলের হিসাব দিয়ে পরিমাপ করা কঠিন। কারণ, অনেক নারী নির্যাতনের শিকার হলেও অভিযোগ করেন না।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সংকলন করে আইন ও সালিশ কেন্দ্র জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে পারিবারিক সহিংসতার ২৮৪টি খবর প্রকাশ হয়েছে। এসব ঘটনায় মামলা হয়েছে ১১৯টি ঘটনায়। বাকি ঘটনাগুলোর বিষয়ে মামলা বা পরবর্তী তথ্য পাওয়া যায়নি।

এই সময়ে পারিবারিক সহিংসতার ঘটনায় ১০৮ জন নারী স্বামীর হাতে নিহত হয়েছেন এবং ২২ জন নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে সংস্থাটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ মাসে পারিবারিক সহিংসতার ৫৬০টি ঘটনা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। এসব ঘটনায় মামলা হয়েছিল ২৪৮টি। ওই সময়ে স্বামীর হাতে ২১৭টি হত্যাকাণ্ড এবং ২৮টি নির্যাতনের ঘটনা ছিল।

পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট ‘আমরাই পারি’র প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক বলেন, পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা কখনোই কম নয়। এই নির্যাতন প্রতিরোধে যেভাবে কাজ করা উচিত, সেভাবে হচ্ছে না।

তিনি বলেন, শুধু আইন পরিবর্তন ও সংস্কারের মাধ্যমে এ ধরনের নির্যাতন প্রতিরোধ হবে না। মাঠে গিয়ে মানুষকে বোঝাতে হবে যে নারীর প্রতি তাদের আচরণগত পরিবর্তন দরকার। বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা কাটাতে রাষ্ট্রকে ‘শূন্য সহিষ্ণুতা’ নীতি নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ, বিচারের হার কম হওয়ায় অপরাধীরা সাহসী হয়ে উঠছে।

মাইদার মৃত্যুর দুই দিন পরও তাঁর মা রহিমা খাতুন মেয়ের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি। যে মেয়ে প্রতিদিন তাঁকে ফোন করতেন, তাঁর সেই ফোন আর আসছে না।

আহাজারি করতে করতে রহিমা খাতুন বলেন, ‘মেয়েটার বয়স যখন তিন বছর, তখন ওর বাবা মারা গেছে। অনেক কষ্ট করে ওদের মানুষ করছি। আমার মেয়েটারে শ্বাসরোধ করে মারছে। আপনারা দেইখেন, ওর (সিয়াম) যেন ফাঁসি হয়।’

প্রধান খবর

কৃষি মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোববার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। বৈঠকে কৃষি খাতের সার্বিক পরিস্থিতি ও মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন তারেক রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

আসছে...