আগামী নভেম্বরে ঢাকায় বসছে ১৫তম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আসর। ৫ নভেম্বর টুর্নামেন্টের পর্দা উঠবে। উদ্বোধনী দিনেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। ‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। ‘বি’ গ্রুপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতের সঙ্গে রয়েছে মালদ্বীপ ও পাকিস্তান।
বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ৫ নভেম্বর ভুটানের বিপক্ষে। জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে রাত ৮টায়। এরপর ১১ নভেম্বর একই সময়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।
উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশের ম্যাচের আগে বিকেল সাড়ে ৩টায় ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হবে। ৮ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় মালদ্বীপের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান। একই দিন রাত ৮টায় মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা ও ভুটান।
বাংলাদেশের গ্রুপে নেপালের যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে ড্রয়ে নেপালকে রাখা হয়নি। তবে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে পারবে তারা। নেপাল খেললে তাদের জন্য বিকল্প সূচি ঘোষণা করবে সাফ।
নেপালের অংশগ্রহণের ওপর নির্ভর করে আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হতে পারে। টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ হবে রাজধানীর পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে।
গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সেমিফাইনালে উঠবে। ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন খেলবে ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপের বিপক্ষে। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ ও ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন।
১৪ নভেম্বর দুটি সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম সেমিফাইনাল বিকেল ৩টায় এবং দ্বিতীয়টি রাত ৮টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে। ১৭ নভেম্বর রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।
বাংলাদেশ সর্বশেষ ২০০৩ সালে ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। দীর্ঘ ২৩ বছর পর আবারও দেশের মাটিতে শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে লাল-সবুজের দল। ঘরের দর্শক ও মাঠের সুবিধা কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিনের ট্রফি খরা কাটাতে চাইবে বাংলাদেশ।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ভারত। তারা এখন পর্যন্ত ৯ বার শিরোপা জিতেছে। মালদ্বীপ দুইবার এবং বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান একবার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।



