ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নতুন প্রকাশিত ছবিতে বিভিন্ন ঘাঁটির ভবন, যানবাহন ও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার চিত্র দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এসব ছবি প্রকাশ করেছে সিবিএস নিউজ। আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সক্রিয় দায়িত্বে থাকা কয়েকজন মার্কিন সেনাসদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছবিগুলো সরবরাহ করেন।
সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটির একটি ছবিতে বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি বিমানের পেছনের অংশে হামলার চিহ্ন দেখা গেছে। বিমানটির পোড়া কাঠামো থেকে লেজের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকতে দেখা যায়।
বিমানঘাঁটির অন্যান্য ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ও ব্যারাকের পাশাপাশি কংক্রিটের ‘টি-ওয়াল’ প্রতিরোধক দেখা গেছে। কুয়েতের ক্যাম্প বিউরিংয়ের ছবিতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র উঠে এসেছে। ঘাঁটিটি মার্কিন সেনা, সাঁজোয়া যান ও বিমানের গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শকের এক প্রতিবেদনে ইরান যুদ্ধের কারণে সামরিক সরঞ্জামের ক্ষতির পরিমাণ সর্বোচ্চ ৩৭০ কোটি ডলার (৩.৭ বিলিয়ন ডলার) বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জামের তালিকায় ৬০টি বিমান রয়েছে।
কংগ্রেসে দেওয়া বাধ্যতামূলক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানি হামলা হয়েছে।
একজন মার্কিন সেনাসদস্য সিবিএস নিউজকে বলেন, এসব হামলাকে ছোটখাটো অনুপ্রবেশ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তার দাবি, হামলায় মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের কাছে পুরোপুরি জানানো হয়নি।



