অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ঠিক দু’দিন আগে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইসরায়েল সফর করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু -কে আলিঙ্গন করে “বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্ব” ঘোষণা করেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা শুরু হয়ে প্রথম দিনে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। এরপর ভারত সরকার নিন্দা বা সমবেদনা প্রকাশ করেনি। ৪ মার্চ ইরানের যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস দিনারও আন্তর্জাতিক জলসীমায় হামলায় ধ্বংস হয়। ভারতের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মোদি সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র অক্ষে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাচ্ছে। ভারতের সামরিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থের কারণে তারা তেল ও শ্রমিক প্রেরণাসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
সেখানে এও লক্ষ্য করা যায় যে, মোদির নীতিতে ইসলামফোবিয়া ও হিন্দুত্ববাদ ধীরে ধীরে বৈদেশিক নীতিতেও প্রতিফলিত হচ্ছে। ইসরায়েলি মডেল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভারত কৃষক আন্দোলন দমন, কাশ্মীরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রযুক্তি ব্যবহার বৃদ্ধি করছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, ভারতের এ অবস্থান কৌশলগত স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে, তবে বর্তমান হিন্দু জাতীয়তাবাদী সরকারের কাছে কোনো বড় প্রতিবন্ধকতা নেই।



