মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কালোটাকার বিস্তার রোধ এবং পর্যাপ্ত রিজার্ভ ছাড়া নতুন টাকা ছাপানো বন্ধের দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে অবিলম্বে ১০০০ টাকার নোট বাতিলেরও দাবি জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান জনস্বার্থে এ নোটিশ পাঠান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে নোটিশের প্রাপক করা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, পর্যাপ্ত রিজার্ভ বা ব্যাকআপ ছাড়া অতিরিক্ত মুদ্রা সরবরাহের ফলে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। এর ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ সাধারণ, দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর বাড়ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
নোটিশদাতার দাবি, ১০০০ টাকার মতো উচ্চ মূল্যমানের নোট সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনে তুলনামূলকভাবে কম প্রয়োজনীয়। বরং এ ধরনের বড় নোটের মাধ্যমে কালোটাকা ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে সংরক্ষণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এতে ছায়া অর্থনীতির বিস্তার ঘটার আশঙ্কাও তুলে ধরা হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে ভারতের ২ হাজার রুপির নোট প্রত্যাহারের উদাহরণ নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক ২০২৩ সালে ওই নোট প্রত্যাহারকে ‘ক্লিন নোট পলিসি’র অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
নোটিশে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পর্যাপ্ত রিজার্ভ ছাড়া নতুন টাকা ছাপানো বন্ধ এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিলের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।



