পরীক্ষামূলক সংস্করণ

মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনার মামলায় মামা ওবায়দুরকে কারাগারে পাঠাল আদালত

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলার আসামি ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

গ্রেপ্তারের পর ওবায়দুর রহমানকে বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলাম ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তার পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

গত ২০ সেপ্টেম্বর সংসদ সদস্য নজরুল ইসলামের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় যে মামলা করেন, তাতে ওবায়দুর রহমানকেও আসামি করা হয়।

সম্পর্কে ওবায়দুর রহমান মরিয়মের মামা। তিনি একসময় সংসদ সদস্য নজরুল ইসলামের গাড়িচালক হিসেবে কাজ করতেন। মামলার বাদী মাসুম বিল্লাহর অভিযোগ, তার শ্যালক ওবায়দুরই তার মেয়েকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছেন।

মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ তদন্ত করছিল। পরে তদন্তের দায়িত্ব গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আদালতে দেওয়া আবেদনে বলেন, ওবায়দুর রহমান মরিয়মের আত্মহত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত—এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মরিয়মের বিয়ের আগে থেকেই সংসদ সদস্য নজরুল ইসলামের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্ত থেকে ওবায়দুর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন বলেও তদন্তে জানা গেছে।

আদালতে দেওয়া আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে ভবিষ্যতে ওবায়দুরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হবে। এ কারণে তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন।

এই মামলায় সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম এরই মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন। একদিনের রিমান্ড শেষে মাকসুদা ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে নজরুল ইসলাম এখনো পুলিশ রিমান্ডে রয়েছেন।

আগামী ২২ অক্টোবর মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে।

গত জুলাইয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম তার দ্বিতীয় বিয়ের কথা জানান। এরপর মানিক মিয়া এভিনিউ সংলগ্ন সংসদ সদস্যদের আবাসিক এলাকার একটি ভবনের ফ্ল্যাটে মরিয়মকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন নজরুল।

গত ২০ সেপ্টেম্বর ওই ফ্ল্যাটেই মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ ওই ফ্ল্যাট থেকে কিছু চিরকুট উদ্ধার করেছে। সেগুলো মরিয়মের লেখা বলে ধারণা করছে পুলিশ। চিরকুটগুলোতে নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল বলে মামলার সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে ওবায়দুর রহমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেছিলেন। ওই মামলায় নজরুল ইসলাম জামিনে ছিলেন।

প্রধান খবর

ঋণের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, ধানমন্ডি থেকে মোবারক গ্রেপ্তার

ঋণ দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে মো. মোবারক হোসেনকে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একাধিক পরোয়ানাভুক্ত মামলায় আদালত তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

৫ বছরে জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে পদক্ষেপ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরে জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বাংলাদেশ নদী-খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, আগাম সতর্কতা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে।

ফুটপাতে প্রাণ গেল মেহেদীর, ৯ লাখ টাকায় আপস পরিবারের

রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে পড়া প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মেহেদী হাসান মিম নিহত হওয়ার ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে ৯ লাখ টাকায় আপস হয়েছে। আপসনামায় মামলা প্রত্যাহার ও আসামিদের জামিনে অনাপত্তিসহ বেশ কয়েকটি শর্ত রাখা হয়েছে।

আসছে...