পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬: সম্ভাবনার বাংলাদেশে পর্যটনের নতুন দিগন্ত

সমুদ্র, পাহাড়, বন, নদী, হাওর, চা-বাগান, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও সমৃদ্ধ লোকজ ঐতিহ্য—সব মিলিয়ে পর্যটনের জন্য বৈচিত্র্যময় এক ভূখণ্ড বাংলাদেশ। বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার থেকে শুরু করে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন, সিলেটের চা-বাগান, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা প্রাচীন স্থাপত্যসমৃদ্ধ বাগেরহাট-পাহাড়পুর—দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে আছে পর্যটনের অসংখ্য উপাদান। বিশ্ব পর্যটন দিবসে তাই সামনে আসে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার বিষয়টি।

প্রতি বছর ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়। জাতিসংঘের ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডারেও দিনটিকে World Tourism Day হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য—‘Digital Agenda and Artificial Intelligence to Redesign Tourism’। জাতিসংঘের বার্তায় বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তি পর্যটকরা কীভাবে গন্তব্য নির্বাচন করেন, পর্যটনসেবা কীভাবে পরিচালিত হয় এবং ভ্রমণের অভিজ্ঞতা কীভাবে তৈরি করা হয়—এসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তির সুফল যেন পর্যটনকেন্দ্রিক স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও ছোট ব্যবসার কাছেও পৌঁছায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনার পরিধি শুধু সমুদ্রসৈকতে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পর্যটনবিষয়ক তথ্য অনুযায়ী, দেশের পর্যটন আকর্ষণের মধ্যে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, গ্রামীণ জীবন, সমুদ্রসৈকত, সংস্কৃতি ও উৎসবের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের প্রকৃতিনির্ভর গন্তব্য রয়েছে। বোর্ডের প্রকাশিত পর্যটন হ্যান্ডবুকে ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনা, কক্সবাজার, সুন্দরবন, পাহাড়ি অঞ্চল, পাহাড়পুর, বাগেরহাট, পুঠিয়া ও শ্রীমঙ্গলের মতো গন্তব্যের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

কক্সবাজার বাংলাদেশের পর্যটন পরিচয়ের অন্যতম প্রধান অংশ। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত দেশের অন্যতম বড় পর্যটন আকর্ষণ। এর পাশাপাশি ইনানী ও কুয়াকাটার মতো সমুদ্রসৈকতও দেশের উপকূলীয় পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে রয়েছে সুন্দরবন—বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। জীববৈচিত্র্য, নদী-খাল, বন ও বন্যপ্রাণীর সমন্বয়ে সুন্দরবন প্রকৃতিনির্ভর পর্যটনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। একইভাবে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলো বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি করে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পর্যটন হ্যান্ডবুকে পাহাড়পুরের প্রাচীন বৌদ্ধবিহার ও বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদনগরীর মতো স্থাপনাগুলোকেও পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

সিলেট ও শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান, হাওর ও পাহাড়ি পরিবেশ বাংলাদেশের প্রকৃতিনির্ভর পর্যটনের আরেকটি স্বতন্ত্র দিক। পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়, ঝরনা ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি আবার দেশের পর্যটন অভিজ্ঞতায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। অর্থাৎ বাংলাদেশের পর্যটনকে একটি নির্দিষ্ট গন্তব্য বা একটি নির্দিষ্ট ধরনের ভ্রমণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রকৃতি, সংস্কৃতি, ইতিহাস, খাবার, নদী, গ্রামীণ জীবন ও অ্যাডভেঞ্চার—বিভিন্ন পর্যটনধারাকে একসঙ্গে সামনে আনার সুযোগ রয়েছে।

পর্যটনের গুরুত্ব শুধু বিনোদন বা ভ্রমণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, বৈশ্বিকভাবে ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম খাত ২০২৪ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রায় ১০.৯ ট্রিলিয়ন ডলার অবদান রেখেছে এবং ৩৫৭ মিলিয়ন কর্মসংস্থানকে সমর্থন করেছে। পর্যটন খাত স্থানীয় পরিবহন, আবাসন, খাবার, খুচরা ব্যবসা, সাংস্কৃতিক সেবা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় এর অর্থনৈতিক প্রভাবও বহুমাত্রিক।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও পর্যটনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব পরিমাপের জন্য নিয়মিত গবেষণা করা হচ্ছে। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল (WTTC) বাংলাদেশের পর্যটন খাতের জিডিপি ও কর্মসংস্থানে অবদান, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ব্যয়, সরকারি ব্যয়, বিনিয়োগ এবং পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাবসহ বিভিন্ন সূচক নিয়ে গবেষণা প্রকাশ করে। তাদের ২০২৬ সালের বাংলাদেশভিত্তিক গবেষণা প্রতিবেদনে ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের তথ্য এবং ২০২৬ ও ২০৩৬ সালের পূর্বাভাস অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি বাংলাদেশের পর্যটন খাতে কিছু বাস্তব চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিদেশি পর্যটক আকর্ষণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পরিচিতি বাড়ানো, পর্যটনসেবার মান উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা, তথ্যপ্রাপ্তি, দক্ষ জনবল, নিরাপদ ও দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একটি পর্যটন গন্তব্য জনপ্রিয় হওয়ার পাশাপাশি সেটিকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বিদেশি পর্যটক আগমনের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানেও সেই চ্যালেঞ্জের একটি চিত্র পাওয়া যায়। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে ৫ লাখ ৮৫ হাজার ১৪৫ জন বিদেশি দর্শনার্থী এসেছেন। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৪ এবং ২০২৩ সালে ৬ লাখ ৫৫ হাজার ৪৫১। অর্থাৎ ২০২৫ সালে আগের বছরের তুলনায় বিদেশি দর্শনার্থী আগমন কমেছে। একই প্রতিবেদনে ভারতকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিদেশি পর্যটন বাজার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে শুধু বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানোর দিকে নজর না দিয়ে বাংলাদেশের পর্যটন পণ্যের বৈচিত্র্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা গুরুত্বপূর্ণ। কক্সবাজার ও সুন্দরবনের পাশাপাশি ঐতিহাসিক স্থাপনা, চা-বাগান, পাহাড়, নদী, হাওর, গ্রামীণ জীবন, স্থানীয় খাবার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমন্বিতভাবে তুলে ধরলে দেশের পর্যটন ব্র্যান্ড আরও বিস্তৃত হতে পারে।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ইতোমধ্যে পর্যটনের বিভিন্ন শাখা নিয়ে আলাদা গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে। এর মধ্যে কমিউনিটি-বেইজড ট্যুরিজম, টেকসই পর্যটন, দায়িত্বশীল পর্যটন, নদী পর্যটন, বন্যপ্রাণী পর্যটন, হাওর পর্যটন, সাংস্কৃতিক পর্যটন, কৃষি পর্যটন, গ্রামীণ পর্যটন ও অ্যাডভেঞ্চার পর্যটনের মতো ক্ষেত্র রয়েছে। এসব উদ্যোগ দেখায় যে বাংলাদেশের পর্যটনকে একাধিক ধারায় বিকশিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬-এর ডিজিটাল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রতিপাদ্য বাংলাদেশের জন্যও প্রাসঙ্গিক। একজন বিদেশি পর্যটক কোনো গন্তব্যে যাওয়ার আগে সাধারণত তথ্য খোঁজেন, ছবি ও ভিডিও দেখেন, থাকার ব্যবস্থা সম্পর্কে জানেন, যাতায়াতের তথ্য নেন এবং স্থানীয় অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ধারণা তৈরি করেন। এই পুরো প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, অনলাইন ম্যাপ, বহুভাষিক তথ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ভ্রমণ সহায়ক এবং ডিজিটাল মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোর তথ্য যদি নির্ভরযোগ্য, হালনাগাদ, সহজবোধ্য এবং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য বহুভাষিকভাবে উপস্থাপন করা যায়, তাহলে দেশের বিভিন্ন গন্তব্য সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী মানুষের আগ্রহ তৈরি করার সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে স্থানীয় উদ্যোক্তা, ট্যুর গাইড, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, পরিবহন ও হস্তশিল্প ব্যবসার সঙ্গে পর্যটকদের সরাসরি সংযোগ তৈরিতেও ডিজিটাল প্রযুক্তি ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটন উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পর্যটকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ও প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ঐতিহাসিক স্থাপনার সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পর্যটনকেন্দ্রিক উন্নয়ন যেন স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা ও পরিবেশের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে, সেদিকেও নজর দিতে হবে।

বাংলাদেশের পর্যটনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হচ্ছে মানুষের আতিথেয়তা এবং স্থানীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্য। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের খাবার, উৎসব, লোকসংগীত, কারুশিল্প, গ্রামীণ জীবন ও ঐতিহ্যকে পর্যটন অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে পর্যটন অর্থনীতির অংশীদার করা গেলে পর্যটনের সুফল আরও বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস তাই শুধু পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণের আহ্বান জানানোর একটি দিন নয়; এটি একটি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মানুষের সঙ্গে অর্থনীতির সম্পর্ক নিয়ে ভাবারও একটি উপলক্ষ। বাংলাদেশের সামনে রয়েছে সমুদ্র থেকে পাহাড়, বন থেকে হাওর, প্রত্নতত্ত্ব থেকে লোকসংস্কৃতি—বহুমাত্রিক পর্যটন সম্ভাবনা।

প্রয়োজন সেই সম্ভাবনাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগানো, পর্যটন অবকাঠামো ও সেবার মান উন্নত করা, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পরিচিতি বাড়ানো এবং একই সঙ্গে প্রকৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা। ২০২৬ সালের বিশ্ব পর্যটন দিবসের ডিজিটাল রূপান্তরের বার্তাও সেই আলোচনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে—প্রযুক্তি যেন পর্যটনকে শুধু আরও সহজ না করে, বরং স্থানীয় মানুষ, ছোট ব্যবসা ও নতুন গন্তব্যগুলোকেও পর্যটনের সুফলের অংশীদার করে।

বাংলাদেশের পর্যটনের ভবিষ্যৎ তাই শুধু কতজন পর্যটক এলেন, তার হিসাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রশ্ন হলো—বাংলাদেশ তার প্রকৃতি, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মানুষের গল্পকে কতটা পরিকল্পিত, নিরাপদ, টেকসই এবং বিশ্বমানের পর্যটন অভিজ্ঞতায় রূপ দিতে পারে।

প্রধান খবর

স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪৬

স্পেনের তোলেদো প্রদেশে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বহু যাত্রী। উদ্ধারকাজ চলছে এবং নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্পেনে দুই উচ্চগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ১০

স্পেনের টোলেডো প্রদেশে দুই উচ্চগতির ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার সকালের এ দুর্ঘটনার পর মাদ্রিদ ও আন্দালুসিয়ার মধ্যে রেল চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সাগর-রুনি হত্যা: ১৪ বছরেও মেলেনি খুনিদের পরিচয়

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলায় ১৪ বছরেও খুনিদের পরিচয় ও হত্যার উদ্দেশ্য নিশ্চিত হয়নি। তদন্ত শেষ করতে টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আসছে...