পরীক্ষামূলক সংস্করণ

নাগেশ্বরী সীমান্তে পিস্তল-গুলি ও সন্দেহজনক আইস উদ্ধার

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি ও সন্দেহজনক এক কেজি ক্রিস্টাল মেথ ‘আইস’ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার দিবাগত রাতে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের রামখানা বিওপির বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট বসানো হয়। পরে পূর্ব রামখানা আশকোন নগর এলাকায় অভিযান চালায় বিজিবির একটি টহলদল। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ১৫-বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম।

বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ভারতের সীমান্তের দিক থেকে আসা কয়েকজন চোরাকারবারি তাদের বহন করা মালামাল ফেলে ভারতের দিকে পালিয়ে যায় বলে বিজিবি জানায়।

পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি এবং সন্দেহজনক এক কেজি ক্রিস্টাল মেথ ‘আইস’ উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ নাগেশ্বরী থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। আর উদ্ধার করা সন্দেহজনক মাদকটি প্রকৃতপক্ষে ক্রিস্টাল মেথ ‘আইস’ কি না, তা নিশ্চিত করতে নমুনা পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হচ্ছে।

লালমনিরহাট ১৫ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, উদ্ধার করা মাদকটি আসলে ক্রিস্টাল মেথ ‘আইস’ কি না, তা ল্যাব পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। অস্ত্র ও মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রধান খবর

স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪৬

স্পেনের তোলেদো প্রদেশে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বহু যাত্রী। উদ্ধারকাজ চলছে এবং নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্পেনে দুই উচ্চগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ১০

স্পেনের টোলেডো প্রদেশে দুই উচ্চগতির ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার সকালের এ দুর্ঘটনার পর মাদ্রিদ ও আন্দালুসিয়ার মধ্যে রেল চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সাগর-রুনি হত্যা: ১৪ বছরেও মেলেনি খুনিদের পরিচয়

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলায় ১৪ বছরেও খুনিদের পরিচয় ও হত্যার উদ্দেশ্য নিশ্চিত হয়নি। তদন্ত শেষ করতে টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আসছে...