জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, শিশুদের শৈশব নিরাপদ এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হতে হবে। তবেই তারা নতুন উদ্যমে নিজেদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সফল হবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই অপার সম্ভাবনা ও প্রতিভা রয়েছে। সেই প্রতিভার বিকাশে শিশুদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিশু-কিশোরদের শুভেচ্ছা জানান তিনি। জুবাইদা রহমান বলেন, পাঁচ দশক ধরে শিশু একাডেমি নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে শিশুদের প্রতিভা ও ভবিষ্যৎ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, শিশু একাডেমির বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ছবি আঁকা, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও সাহিত্যচর্চায় অগণিত শিশু-কিশোরের প্রতিভা বিকশিত হয়েছে। শিশুদের সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
শিশুদের অধিকার ও শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা এবং মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটিকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে শিশু একাডেমি ভবিষ্যতেও শিশুদের স্বপ্ন ও প্রতিভা বিকাশের নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হয়ে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে জুবাইদা রহমান বলেন, সব বাধা পেরিয়ে তাদের নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ গ্রহণ করতে হবে। নতুন উদ্যম ও উদ্যোগে শিশুরা সফল হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা, শিশু ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানকে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে ১৫০ শিশু স্বাগত জানায়। পরে তারা শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী ও আলোকচিত্র গ্যালারি পরিদর্শন করেন।



