সিলেটের গোয়াইনঘাটে বদরুল আলম নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ৩০ লাখ টাকা, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নের গোরাগ্রাম মসজিদসংলগ্ন সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বদরুল আলম গোয়াইনঘাট উপজেলার হাদারপার গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর ছেলে। তিনি রুস্তমপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বদরুল দুই ছেলের বাবা।
বদরুলের সঙ্গে থাকা সাদেক হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁরা মনরতল বাজার থেকে নিজেদের বাড়ি হাদারপারের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। তাঁদের সঙ্গে ৩০ লাখ টাকা ছিল। গোরাগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন তাঁদের পথরোধ করে। এ সময় হামলাকারীরা তাঁদের সঙ্গে থাকা টাকা, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেন সাদেক।
সাদেক হোসেনের দাবি, বদরুল আলম ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় বাধা দিলে হামলাকারীরা দা, চাকু, ছুলফিসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই বদরুলের মৃত্যু হয় বলে তিনি জানান।
পরে স্থানীয় লোকজন বদরুলের মরদেহ উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে ছিল।
ঘটনার খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক মোড়লের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ওসি জানান, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয়, ৩০ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এবং ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানা যায়নি।



