পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সরকারি বিজ্ঞাপনের নতুন হার নির্ধারণ

সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত দৈনিক সংবাদপত্র, সাময়িকী ও অন্যান্য প্রকাশনার জন্য নতুন বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন হার অনুযায়ী, সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় বিজ্ঞাপন প্রকাশে ভেতরের পাতার তুলনায় ৮০ শতাংশ এবং শেষ পাতায় ৪০ শতাংশ বেশি মূল্য প্রযোজ্য হবে। প্রচারসংখ্যা ও প্রকাশনার ধরন অনুযায়ী প্রতি কলাম ইঞ্চি বিজ্ঞাপনের হার নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জারি করা পরিপত্রে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগীয় শহর থেকে প্রকাশিত দৈনিক সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, এসব শহর থেকে প্রকাশিত দৈনিক সংবাদপত্রের প্রচারসংখ্যা ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার হলে প্রতি কলাম ইঞ্চি বিজ্ঞাপনের প্রাথমিক হার হবে ৪৫০ টাকা। প্রচারসংখ্যা ৭ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার পর্যন্ত হলে প্রতি অতিরিক্ত এক হাজারের জন্য ৭ টাকা, ৩০ হাজার ১ থেকে ৫০ হাজার পর্যন্ত ৬ টাকা এবং ৫০ হাজার ১ থেকে ৯০ হাজার পর্যন্ত ৫ টাকা করে হার বাড়বে। প্রচারসংখ্যা ৯০ হাজারের বেশি হলে প্রতি অতিরিক্ত এক হাজারের জন্য ৪ টাকা করে বাড়বে। এ শ্রেণির সংবাদপত্রের সর্বোচ্চ বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ১০০ টাকা।

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট ছাড়া অন্য বিভাগীয় শহর থেকে প্রকাশিত দৈনিক সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে প্রচারসংখ্যা ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার হলে প্রতি কলাম ইঞ্চি বিজ্ঞাপনের প্রাথমিক হার হবে ৪২০ টাকা। প্রচারসংখ্যা ৫ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার পর্যন্ত হলে প্রতি অতিরিক্ত এক হাজারের জন্য ৬ টাকা, ৩০ হাজার ১ থেকে ৫০ হাজার পর্যন্ত ৫ টাকা এবং ৫০ হাজারের বেশি হলে ৪ টাকা করে হার বাড়বে। এ শ্রেণির সংবাদপত্রের সর্বোচ্চ বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৫০ টাকা।

জেলা শহর ও অন্যান্য স্থান থেকে প্রকাশিত দৈনিক সংবাদপত্রের প্রচারসংখ্যা ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার হলে প্রতি কলাম ইঞ্চি বিজ্ঞাপনের হার হবে ৪০০ টাকা। প্রচারসংখ্যা ৪ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার পর্যন্ত হলে প্রতি অতিরিক্ত এক হাজারের জন্য ৬ টাকা এবং ৩০ হাজারের বেশি হলে ৫ টাকা করে হার বাড়বে। এ শ্রেণির সংবাদপত্রের সর্বোচ্চ বিজ্ঞাপন হার হবে ৮০০ টাকা।

অর্ধসাপ্তাহিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক ও ত্রৈমাসিক পত্রিকা এবং সাময়িকীর জন্যও নতুন বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগীয় শহর থেকে প্রকাশিত এসব পত্রিকা ও সাময়িকীর প্রচারসংখ্যা ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার হলে প্রতি কলাম ইঞ্চি বিজ্ঞাপনের হার হবে ২৫০ টাকা। প্রচারসংখ্যা ৪ হাজার ১ থেকে ১০ হাজার পর্যন্ত হলে প্রতি অতিরিক্ত এক হাজারের জন্য ৬ টাকা এবং ১০ হাজারের বেশি হলে ৫ টাকা করে হার বাড়বে। এ শ্রেণির সর্বোচ্চ বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫০ টাকা।

অন্য বিভাগীয় শহর, জেলা শহর ও অন্যান্য স্থান থেকে প্রকাশিত অর্ধসাপ্তাহিক, সাপ্তাহিক ও অন্যান্য সাময়িকীর প্রচারসংখ্যা ২ হাজার থেকে ৩ হাজার হলে প্রতি কলাম ইঞ্চি বিজ্ঞাপনের হার হবে ২৫০ টাকা। প্রচারসংখ্যা ৩ হাজার ১ থেকে ১০ হাজার পর্যন্ত হলে প্রতি অতিরিক্ত এক হাজারের জন্য ৬ টাকা এবং ১০ হাজারের বেশি হলে ৫ টাকা করে হার বাড়বে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বিজ্ঞাপন হার হবে ৪০০ টাকা।

পরিপত্রে সংবাদপত্রের প্রথম ও শেষ পাতায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য অতিরিক্ত হারও নির্ধারণ করা হয়েছে। সব শ্রেণির সংবাদপত্রে ভেতরের পাতার তুলনায় প্রথম পাতায় বিজ্ঞাপনের জন্য ৮০ শতাংশ এবং শেষ পাতায় ৪০ শতাংশ বেশি হার প্রযোজ্য হবে।

বিশেষ দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত ক্রোড়পত্রে রঙিন বিজ্ঞাপনের জন্যও অতিরিক্ত হার নির্ধারণ করা হয়েছে। সাদা-কালো বিজ্ঞাপনের তুলনায় প্রতি রঙের জন্য ১০ শতাংশ হারে সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত মূল্য প্রযোজ্য হবে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, নতুন বিজ্ঞাপন হার শুধু সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত সংবাদপত্র ও সাময়িকীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। প্রতিটি পত্রিকা ও সাময়িকীর জন্য প্রযোজ্য বিজ্ঞাপন হার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, নতুন হারের বাইরে বিশেষ ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশের শর্ত এবং বিদ্যমান বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র নীতিমালার অন্যান্য বিধান আগের মতোই বহাল থাকবে।

নতুন পরিপত্র জারির ফলে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিজ্ঞাপন হার-সংক্রান্ত আগের পরিপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ এবং অর্থ বিভাগের চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ও ৯ আগস্টের সম্মতিপত্রের ভিত্তিতে নতুন পরিপত্রটি জারি করা হয়েছে।

প্রধান খবর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুই দিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় দিয়ে ঘরবাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জমে থাকা পানি ও আবর্জনা সরিয়ে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

রাবার ও রাসায়নিকের কারণে ভয়াবহ রূপ নেয় টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিট, সেনাবাহিনী ও বিজিবির চেষ্টায় চার ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সেভেন-আপের মান নিয়ে প্রশ্ন, বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে মামলা

পেপসিকোর পানীয় সেভেন-আপে মানহীন উপাদান পাওয়ার অভিযোগে ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে মামলা হয়েছে। ছয়টি প্যারামিটারের মধ্যে তিনটিতে উত্তীর্ণ হতে পারেনি পানীয়টি। মামলার শুনানি ১৬ নভেম্বর।

আসছে...