বাংলাদেশে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশজুড়ে শীতের প্রভাব স্পষ্ট হতে শুরু করতে পারে। ডিসেম্বর থেকে শীতের প্রকোপ বাড়বে, আর জানুয়ারিতে শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর শীতের প্রভাব আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই দেশের উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শীতের আগমন ঘটতে পারে। তবে নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে দেশের অধিকাংশ এলাকায় শীতের আমেজ অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী, পৌষ ও মাঘ শীতের প্রধান দুই মাস। তবে এই দুই মাস আসার আগেই পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁওসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় শীতের আগমনী বার্তা অনুভূত হতে শুরু করেছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে শীতের পূর্ণ প্রভাব অনুভূত হতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের মতে, এবার শীতের প্রভাব দীর্ঘায়িত হতে পারে। আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শীতের অনুভূতি বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।
তিনি আরও জানান, ডিসেম্বর থেকে শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকবে। জানুয়ারিতে শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকতে পারে। তবে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের পর দিনের তাপমাত্রা আবার বাড়তে শুরু করতে পারে।
সব মিলিয়ে, নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শীতের বিস্তার বাড়ার এবং জানুয়ারিতে এর তীব্রতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে



