পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সাতক্ষীরায় সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত, ভুক্তভোগীকেই থানায় আটকের অভিযোগ

অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক

সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এনটিভির সাংবাদিক জুলফিকার আলী জিন্নাহকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় মূল আসামিদের গ্রেপ্তার না করে উল্টো জমির মালিক ভুক্তভোগীকে থানায় আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

সোমবার (৩০ মার্চ) দিবাগত রাতে সদর থানা পুলিশের এমন ভূমিকার ঘটনায় জেলাজুড়ে সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আহত সাংবাদিক জুলফিকার আলী জিন্নাহ জানান, ‘গোল্ড টুটুল’-এর নেতৃত্বে হামলার পর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। ওসি মাসুদুর রহমান প্রথমে জমির মালিক মোকসুদার রশিদকে তার জিম্মায় দিলেও পরে থানা চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় জিজ্ঞাসাবাদের নামে আবারও তাকে আটক করা হয়।

জিন্নাহ অভিযোগ করেন, মোকসুদার রশিদকে ‘ভারতীয় নাগরিক’ বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অথচ তার বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্ট থানায় দেখানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, প্রভাবশালী একটি মহলের ফোনকলের প্রভাবে তাকে আটক রাখা হয়েছে, যাতে মূল অভিযুক্ত গোল্ড টুটুল ও মহিবুল্লাহদের আড়াল করা যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান রাজনৈতিক চাপের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভারতীয় নাগরিক হওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব ও সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নির্ধারিত সিন্ডিকেটের বাইরে গিয়ে জমি রেজিস্ট্রি করার চেষ্টা করায় সাংবাদিক জিন্নাহ ও জমির মালিক মোকসুদার রশিদের ওপর মহিবুল্লাহ ও গোল্ড টুটুলের নেতৃত্বে ১৫–২০ জন হামলা চালায়। ঘটনাটি ঘিরে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

প্রধান খবর

গুলিতে নিহত যুবদল কর্মী/ কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশাতেই হত্যার নীল নকশার অভিযোগ

গত শুক্রবার ২৪ জুলাই রাজধানীর মিরপুরের কাফরুল এলাকায় গুলি করে যুবদলের কর্মী ইউসুফকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার পরবর্তী এক সংবাদ সন্মেলনে পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকা আধিপত্য ও

আসছে...