অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
কুষ্টিয়ার মুদিদোকানি মো. সাকিবুর রহমানের আট মাস বয়সী ছেলে মোহাম্মদ নোমান ফালাক হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। প্রায় ১৯ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পরও সন্তানকে বাঁচাতে পারেননি তিনি। চিকিৎসা করাতে গিয়ে এক লাখ টাকার বেশি খরচ ও ধারদেনায় পড়েছেন এই বাবা।
ফালাকের মতো আরও অনেক পরিবার হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে খরচ তুলনামূলক কম হলেও ওষুধ, পরীক্ষা, যাতায়াত ও খাবারের খরচ মিলিয়ে ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। আর বেসরকারি হাসপাতালে বিশেষ করে পিআইসিইউতে খরচ কয়েক লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামে ৩২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে, আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১৬৬ জন। একই সময়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।
চিকিৎসকেরা বলছেন, জেলা ও ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসায় তেমন পার্থক্য নেই, তবে পিআইসিইউ সংকট পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকেরা উদ্বেগে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটছেন, এতে খরচ আরও বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্য খাতে ব্যক্তির ব্যয় বেশি হওয়ায় দরিদ্র পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা ও পিআইসিইউ সুবিধা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন তারা।



