পরীক্ষামূলক সংস্করণ

এক সপ্তাহেই শতভাগ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ঘোষণা করেছেন যে, পরিকল্পিত টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের শতভাগ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শ্যামলী টিবি হাসপাতালে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির জন্য ৬ লাখ জিনএক্সপার্ট কার্টিজ এবং ১১ হাজার শিশুর যক্ষ্মা প্রতিরোধী ঔষধ হস্তান্তর উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মন্ত্রী জানান, দেশে ভ্যাকসিন বা সিরিঞ্জের কোনো সংকট নেই এবং আগামীকালকের মধ্যে দেশের প্রতিটি টিকাদান কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছে যাবে। যক্ষ্মা ও হাম নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন ইউনিসেফ, গ্যাভি, বিশ্বব্যাংক ও আমেরিকার সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারত।

টিকাদান কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, নির্ধারিত সময়ের ১৪ দিন আগেই অর্থাৎ ২০ এপ্রিল থেকে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বর্তমানে লক্ষ্যমাত্রার ৬১ শতাংশ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং অনেক এলাকায় ইতিমধ্যে শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ করে হামের টিকা কার্যক্রম শুরু হওয়া প্রথম ৩০টি উপজেলায় বর্তমানে একজনও হামের রোগী নেই। গত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক কাজ স্থবির হয়ে ছিল দাবি করে মন্ত্রী বলেন, আগের সরকারগুলোর অবহেলার কারণে গত ছয় বছর হামের টিকাদান ঠিকমতো হয়নি, যা বর্তমান সরকার দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে।

পোলিও ভ্যাকসিন সংকট নিয়ে ছড়ানো সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, মিরপুরের একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ঘটনাটি ছিল নিছক ভুল বোঝাবুঝি, যেখানে রোগী ভুলবশত ভ্যাকসিন ফেলে গিয়ে পরে সংকটের কথা বলেছিলেন। এছাড়া আসন্ন ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় মন্ত্রী জানান, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে প্রয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে তাঁবু স্থাপন করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। তবে চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধই বেশি গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি মশক নিধনে সিটি কর্পোরেশনকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

প্রধান খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: মানবতাবিরোধী অপরাধের ৭ রায়ে ২৩ মৃত্যুদণ্ড, ১১ যাবজ্জীবন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের সাত মামলায় ২৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন এবং ৩৩ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়েছে; একজন আসামি খালাস পেয়েছেন।

আসছে...