রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আখতারুজ্জামানকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আরিফ রেজা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার আখতারুজ্জামানকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তেজগাঁও জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান। তবে ওই দিন রিমান্ড শুনানি না হওয়ায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং সোমবার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
গত ৫ আগস্ট রাতে রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার পুলিশি পাহারায় সাবেক এই এমপিকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তার আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিলের আবেদন জানিয়ে শুনানি করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনার সঙ্গে আসামির সম্পৃক্ততার বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার সঙ্গে জড়িত পলাতক অন্যান্য আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ, তাদের গ্রেপ্তার এবং রাষ্ট্রবিরোধী অবৈধ পরিকল্পনার তথ্য জানতে আখতারুজ্জামানকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
এ ছাড়া হেফাজতে থাকা অবৈধ ককটেল বোমার উৎস এবং মামলার ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটনের জন্য সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১৮ জুন সকালে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার মহাখালী বাস টার্মিনালসংলগ্ন এলাকায় নিবাস মজুমদারসহ নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩৫ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী মিছিল বের করেন। মিছিলে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার পুলিশ সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে।



