দেশে নিম্নস্তরের প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা বা তার বেশি করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। নতুন সিদ্ধান্তে অন্যান্য স্তরের সিগারেটের দাম অপরিবর্তিত থাকছে।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত ২০তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ অনুসরণ করে নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বনিম্ন দাম নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য সিগারেটের দাম নির্ধারণ এবং সিকিউরিটি স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোলের প্রয়োগসংক্রান্ত বিদ্যমান দুটি প্রজ্ঞাপন পরিমার্জনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিম্নস্তরের তামাকপণ্যের বেআইনি কারবার রোধ এবং তামাক খাত থেকে রাজস্বের ঘাটতি কমানোর উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এর আগে সব স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন নিম্নস্তরের প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়। নতুন সিদ্ধান্তে এই স্তরে আরও ৩ টাকা বেড়ে সর্বনিম্ন দাম দাঁড়াল ৬৫ টাকা।
নতুন নির্ধারিত মূল্যে প্রতি ১০ শলাকার সিগারেটের নিম্নস্তরের দাম ৬৫ টাকা ও তদূর্ধ্ব, মধ্যম স্তরের দাম ৯২ টাকা ও তদূর্ধ্ব, উচ্চ স্তরের দাম ১৬০ টাকা ও তদূর্ধ্ব এবং অতি-উচ্চ বা প্রিমিয়াম স্তরের দাম ২১০ টাকা ও তদূর্ধ্ব নির্ধারিত হয়েছে।
তবে নতুন সিদ্ধান্তে শুধু নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়েছে। মধ্যম স্তরের ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের ১৬০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের ২১০ টাকা ও তদূর্ধ্ব মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে।
বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম ২ টাকা, মধ্যম স্তরে ১২ টাকা, উচ্চ স্তরে ২০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরে ২৫ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্তে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আরও ৩ টাকা বাড়ানো হলো।
একই সভায় নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানিতে বৃহৎ পরিসরে শুল্ক-কর মওকুফের প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।



