নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৪৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে একজনকে পূর্বের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি ৪৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালী জেলা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকানো, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২ অক্টোবর) জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৫ জনকে আটক করা হয়।
থানাভিত্তিক অভিযানে সুধারাম মডেল থানায় ছয়জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে পূর্বের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১২ জন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ছয়জন, চরজব্বর থানায় দুজন, সোনাইমুড়ী থানায় ছয়জন, চাটখিল থানায় ছয়জন এবং কবিরহাট থানায় সাতজনকে আটক করা হয়। তাদের সবাইকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাদের অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রাখতে পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। কিশোরদের বিপথগামী হওয়া ঠেকাতে অভিভাবকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।
পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, কিশোরদের নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধে জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।



