কিশোরগঞ্জে ডোপ টেস্টে পজিটিভ ফল আসায় ওসমান গনি নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি কী ধরনের মাদক সেবন করতেন, তা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলিশ।
অভিযুক্ত ওসমান গনি ঢাকার ধামরাই উপজেলার সাহাবেলীশ্বর এলাকার আঃ কুদ্দুছের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশে ড্রাইভার কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে ওই কনস্টেবলের অস্বাভাবিক আচরণ ও গতিবিধি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে নজরদারিতে রাখা হয়। পরে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি রক্ষায় তাঁর ডোপ টেস্ট করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ১৩ অক্টোবর সকালে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে তাঁর ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসার পর জেলা পুলিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
পুলিশ সূত্র আরও জানায়, ওই কনস্টেবল কী ধরনের মাদক সেবন করতেন, তা তদন্ত করে দেখতে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ডোপ টেস্টে পজিটিভ ফল আসায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে। মাদকের বিষয়ে জেলা পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রেও এ নীতি সমভাবে প্রযোজ্য। সন্দেহভাজন পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট করানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।



