গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ফকিরকান্দি ও ঘোষেরচর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে জড়াতে সন্ধ্যার পর টর্চলাইট জ্বালিয়ে ও মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করার ঘটনাও ঘটেছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার শহরতলির ঘোষেরচর এলাকায় দুই গ্রামের মধ্যে ফুটবল খেলা চলাকালে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। পরে সন্ধ্যার পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে দুই গ্রামের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফুটবল খেলা চলাকালে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ফকিরকান্দির লোকজন ঘোষেরচর গ্রামের কামরুল মোল্লার ছেলে হান্নান মোল্লা (২৮)–কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার পর দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
পরে সন্ধ্যার পর টর্চলাইট জ্বালিয়ে ও মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে শতাধিক পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সংঘর্ষে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।
গুরুতর আহত দুজনকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত এক পুলিশ সদস্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।



